📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-বাইশারি সড়ক: সন্ধ্যায় যানবাহন বন্ধ, দিনে ডাকাতির আতঙ্কে ভয়ে ভয়ে চলাচল

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-বাইশারি সড়ক: সন্ধ্যায় যানবাহন বন্ধ, দিনে ডাকাতির আতঙ্কে ভয়ে ভয়ে চলাচল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজার থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও-বাইশারি সড়কে দিনে ডাকাতির আতঙ্কে লোকজন ভয়ে ভয়ে চলাচল করে। সন্ধ্যায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। গত সোমবার সড়কে ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে, সাতজন আহত হয়। ১৭ বছরে এই সড়কে চারটি খুন ও ৫০টির বেশি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারি সড়কটি দিনের বেলাতেও আতঙ্কের সড়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাহাড়ি জঙ্গলঘেরা এই ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কে দিনে ডাকাতির আতঙ্কে লোকজন ভয়ে ভয়ে চলাচল করে। সন্ধ্যা নামলেই যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। গত সোমবার সকাল ও দুপুরে সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় অন্তত ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে, যার ফলে সাতজন ভুক্তভোগী মারধর করে আহত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কক্সবাজার থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও-বাইশারি সড়কে দিনে ডাকাতির আতঙ্কে লোকজন ভয়ে ভয়ে চলাচল করে, সন্ধ্যায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়
  • 📌 গত সোমবার সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে, সাতজন ভুক্তভোগী মারধর করে আহত হন
  • 📌 সড়কটি দুই থানার আওতায় থাকায় অপরাধের ঘটনায় এক থানা অন্য থানার কথা বলে, পুলিশের একার পক্ষে ডাকাতি প্রতিরোধ করা কঠিন
  • 📌 গত ১৭ বছরে এই সড়কে চারটি খুন ও ৫০টির বেশি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ২৩ জন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন
  • 📌 ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতের গুলিতে খুন হন আঞ্চলিক গানের শিল্পী জনি দে (১৮) ও দিনমজুর মো. কালু (৩৪)
  • 📌 সড়কটি দুর্গম ও জঙ্গলঘেরা হওয়ায় অপরাধীদের তৎপরতা ঠেকানো যাচ্ছে না, স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি না থাকায় সহজেই পালিয়ে যায় ডাকাতেরা

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও-বাইশারি সড়কটি বাংলাদেশের অন্যতম দুর্গম ও নিরাপত্তাহীন সড়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সড়ক দিয়ে দিনে দেড় লাখের বেশি মানুষ চলাচল করে। তবে পাহাড়ি জঙ্গলঘেরা এই সড়কে চলাচল করতে গেলে লোকজন আতঙ্কের মুখে পড়ে। দিনের বেলাতেও ভয়ে ভয়ে চলাচল করতে হয়। সন্ধ্যা নামলেই যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

গত সোমবার সকাল ও দুপুরে সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় দুই দফায় অন্তত ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সাতজন ভুক্তভোগী মারধর করে আহত হন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লুটপাট চললেও ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল ছিল না। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সিফাতুল মাজদার জানান, দুর্বৃত্তরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে লুটপাটের পর জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। তবে গতকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সড়কটি ঈদগাঁও উপজেলার প্রথম সাত কিলোমিটার, রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের পরের পাঁচ কিলোমিটার এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারি ইউনিয়নের শেষ পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। সড়কটি দুই থানার আওতায় থাকায় অপরাধের ঘটনায় এক থানা অন্য থানার কথা বলে। পুলিশের একার পক্ষে ডাকাতি প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল জানান, সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় ডাকাতি, খুন ও অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটে। তিনি বলেন, ঈদগড় ইউনিয়নের দুটি গ্রামে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। এসব দলের সদস্যরা মাদক চোরাচালান, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, বালু ও কাঠের ব্যবসা এবং মিয়ানমারের মালামাল পাচারে জড়িত।

"সড়কের গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও ঈদগড় এলাকায় কয়েকটি ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। এসব দলের সদস্যরা মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মে জড়িত।"

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান জানান, সড়কের গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও ঈদগড় এলাকায় ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। তিনি বলেন, কিছু ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে তাদের তৎপরতা সম্পূর্ণভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার জেলা, ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারি সড়ক (১৭ কিলোমিটার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম সিফাতুল মাজদার (ওসি, ঈদগাঁও থানা), লুৎফুর রহমান কাজল (কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য), মাহমুদুল হাসান (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ কিলোমিটার (কক্সবাজার থেকে দূরত্ব), ১৭ কিলোমিটার (সড়কের দৈর্ঘ্য), ৬০টি (যানবাহন), ১৭ বছর (সড়কটি দুর্গম হয়ে ওঠার সময়কাল), ৫০টি (অপহরণের ঘটনা), ২৩ জন (মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন), ৪ জন (খুনের ঘটনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖