📌 পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হারিচ আহম্মেদ হত্যা মামলার বাদী বাবুল মিয়াকে আদালতে যাওয়ার পথে পিটিয়ে আহত করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পরও অভিযুক্তরা তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করে, ফলে পরিবার গোপনে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় হারিচ আহম্মেদ হত্যা মামলার বাদী বাবুল মিয়াকে গত রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন এলাকায় অটোরিকশার গতিরোধ করে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি পিটিয়ে আহত করে। বাবুল মিয়া আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় এই হামলা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি পুলিশ সহায়তায় কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ অক্টোবর সকাল ৯টায় কলাপাড়া উপজেলার সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন টিয়াখালী এলাকায় বাবুল মিয়াকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
- 📌 হাসপাতালে ভর্তির পরও অভিযুক্তরা বাবুল মিয়াকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করে, ফলে পরিবার গোপনে পালিয়ে যায়।
- 📌 ৮ জনের নাম উল্লেখ করে কলাপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 ১৯ জুলাই হারিচ আহম্মেদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়, যা ২১ জুলাই মামলায় পরিণত হয়।
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় শিশুটিকে বিক্রির জন্য অপহরণ করা হয় এবং প্রায় ১.৫ কিলোমিটার দূরে ফেয়ার নার্সিং হোম ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
বাবুল মিয়ার স্ত্রী সীমা বেগম জানান, তাঁর স্বামীকে আদালতে যাওয়ার পথে অটোরিকশার গতিরোধ করে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। তাঁর চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আদালতে গিয়ে পুলিশি সহায়তায় কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। হাসপাতালে ভর্তির পরপরই অভিযুক্তদের কয়েকজন সেখানে গিয়ে বাবুলকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। চরম নিরাপত্তাহীনতায় বাধ্য হয়ে স্বামীকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গোপন স্থানে আশ্রয় নেন তাঁরা। পরবর্তীতে রাতে পুনরায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
অভিযুক্তদের পক্ষে জসীম খন্দকারের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও, তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি খেতে কৃষিকাজ করছিলাম, যার প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে। আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।’
এদিকে স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাবুল মিয়া। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা মারামারির প্রত্যক্ষ সত্যতা পাননি। ভুক্তভোগী চাইলে এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন।
"আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার সময় আমি খেতে কৃষিকাজ করছিলাম, যার প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলাপাড়া উপজেলা, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবুল মিয়া, সীমা বেগম, জসীম খন্দকার, ওসি নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন অভিযুক্ত, ১৯ জুলাই (হত্যা), ২১ জুলাই (মামলা), ৫০ শয্যা হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!