📌 কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরির বিরোধে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে সালিশ মাঠে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়। চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরির বিরোধে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে শুক্রবার সকালে সালিশ মাঠে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইমামনগর গ্রামে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষের লোকজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরির বিরোধে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে সালিশ মাঠে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত
- 📌 বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক সদস্য আবদুল লতিফের স্বজনদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে সংঘর্ষ
- 📌 সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
- 📌 সংঘর্ষে দাঘাতের শিকার ৩০ জনের মধ্যে উভয় পক্ষের লোকজন
- 📌 অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরে মাছ ধরা ও রিং জাল চুরিকে কেন্দ্র করে বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল লতিফের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক শুরু হয়। কিন্তু সালিশ শুরু হওয়ার আগেই গ্রামের সামনের মাঠে উভয় পক্ষের লোকজন দাঘাতের অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম জানান, “দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসায় আমরা সালিশে বসেছিলাম। কিন্তু আমাদের উপস্থিতির তোয়াক্কা না করেই হঠাৎ মাঠে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংঘর্ষ থামানো সম্ভব হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজার আরও কয়েক দিন বাকি থাকায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে। তাই প্রতিটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজামণ্ডপে সরকারি খরচে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং পূজার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
"দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ মীমাংসায় আমরা সালিশে বসেছিলাম। কিন্তু আমাদের উপস্থিতির তোয়াক্কা না করেই হঠাৎ মাঠে সংঘর্ষ শুরু হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বৈরাটি ইউনিয়ন, মিঠামইন, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম, বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল লতিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন আহত, ৮ নম্বর ওয়ার্ড, ১০ টা সকাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!