📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আটক: চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আটক: চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হাসনাত হাবিব রিফাতকে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। আজমল হোসেনের মৃত্যুতে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তবে আটককৃত ব্যক্তি আসামি তালিকায় নেই

খুলনা মহানগরে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) একটি প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে। গতকাল সোমবার রাতে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার কুড়িয়ানা আদাবাড়ি এলাকায় এসআরবি–৬ ও ৮ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে হাসনাত হাবিব রিফাত (৩০)কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং আজমল হোসেনের মেসে থাকতেন। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং এসআরবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আটককৃত ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাসনাত হাবিব রিফাত (৩০)কে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
  • 📌 আজমল হোসেনের মৃত্যুতে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তবে আটককৃত ব্যক্তি আসামি তালিকায় নেই।
  • 📌 গত শুক্রবার রাতে মেসে ভাত চুরি করে খাওয়ার অভিযোগে আজমল হোসেনকে পিটানো শুরু হয়, পরে তার মৃত্যু হয়।
  • 📌 হাসনাত হাবিব রিফাত সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার গুনেরগাতি এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
  • 📌 হরিণটানা থানায় হাসনাত হাবিবকে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে, তবে এখনো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

📰 বিস্তারিত

গতকাল সোমবার রাত আড়াইটার দিকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার কুড়িয়ানা আদাবাড়ি এলাকায় এসআরবি–৬ ও ৮ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে হাসনাত হাবিব রিফাতকে আটক করে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং আজমল হোসেনের মেসে থাকতেন। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন। এসআরবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আটককৃত ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাসনাত হাবিবকে খুলনা মহানগর পুলিশের হরিণটানা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেছেন, এখনো হাসনাত হাবিবকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। তবে ঘটনার পর থেকে তিনি পালিয়ে ছিলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবার রাতে প্রথমে ভাত চুরি করে খাওয়ার অভিযোগ তুলে আজমল হোসেনকে পেটানো শুরু হয়। পরে মেসে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের কাপড়, টাকাসহ বিভিন্ন জিনিস চুরিরও অভিযোগ তোলা হয়। চারতলা মেস ভবনের ছাদে পেটানোর এক পর্যায়ে আজমল নিচে পড়ে মারা যান। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আজমলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানায়। এ ঘটনায় আজমলের বাবা মো. কুতুব উদ্দীন বাদী হয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান চার শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। তবে আটক হাসনাত হাবিব মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাঁকে আটক করেছে এসআরবি।

"আটক হাসনাত হাবিব হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের ধরতে এসআরবির অভিযান চলছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা, কুড়িয়ানা আদাবাড়ি, খুলনা মহানগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত হাবিব রিফাত (৩০), মো. কুতুব উদ্দীন, মনোয়ার হোসেনের ছেলে, ওসি ইকবাল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (হাসনাত হাবিবের বয়স), ২০-২৫ (অজ্ঞাতনামা আসামি), ৬ ও ৮ (এসআরবি ইউনিট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖