📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনার ভৈরব নদীর ভাঙনে ভাসমান লোহাপট্টির ব্যবসায়ীরা কীভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করছে?

খুলনার ভৈরব নদীর ভাঙনে ভাসমান লোহাপট্টির ব্যবসায়ীরা কীভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করছে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার বড় বাজারের লোহাপট্টি ভৈরব নদীর পানি ভাঙনের কারণে ভাসমান অবস্থায় টিকে আছে। নদীর পাড়ের ব্যবসায়ীরা বাঁশ ও কাঠের পিলারের ওপর অস্থায়ী দোকান তৈরি করছেন। খুলনা সিটি করপোরেশন জানায়, জমির মালিকানায় সরকারি সংস্থাগুলোর বিরোধের কারণে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে না

খুলনার বড় বাজারের লোহাপট্টি ভৈরব নদীর পানি ভাঙনের কারণে আক্ষরিক অর্থে ভাসমান অবস্থায় টিকে আছে। নদীর পাড়ের ব্যবসায়ীরা বাঁশ ও কাঠের পিলারের ওপর অস্থায়ী দোকান তৈরি করে টিকে থাকার লড়াই করছেন। দিনে দিনে নদীর পানি গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে প্রকৃতির নিয়মে তীরের বাজারের অবস্থানও পরিবর্তিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার বড় বাজারের লোহাপট্টির নদীদিকে অবস্থিত দোকানগুলো পানিতে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে, নিচে কোনো মাটি নেই
  • 📌 ৫০ বছরেরও বেশি আগে নদী আরও দূরে ছিল, কিন্তু ভাঙনের কারণে এখন লোহাপট্টিতে পানি এসেছে
  • 📌 খুলনা সিটি করপোরেশনের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মশিহুজ্জামান খান বলেন, জার্মান ব্যাংক ক্লাইমেট ফান্ডের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি ব্যবসায়ীদের স্থানান্তরের কারণে
  • 📌 খুলনা সিটি করপোরেশনের চিফ প্ল্যানিং অফিসার আবির উল জব্বার জানান, জমির মালিকানায় সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিরোধের কারণে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে না
  • 📌 লোহাপট্টির ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার বড় বাজার সংরক্ষণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে

📰 বিস্তারিত

৫০ বছরেরও বেশি আগে খুলনার বড় বাজারে কাজের সন্ধানে এসেছিলেন ভবেশ চন্দ্র শিকদার। তখন ভৈরব নদী আরও দূরে ছিল। কিন্তু দিনে দিনে নদীর পানি গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে প্রকৃতির নিয়মে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে। এখন লোহাপট্টির নদীদিকে অবস্থিত দোকানগুলো আক্ষরিক অর্থে পানিতে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। নদীর পাড়ের ব্যবসায়ীরা বাঁশ ও কাঠের পিলারের ওপর অস্থায়ী দোকান তৈরি করে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশনের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মশিহুজ্জামান খান জানান, কে এফ ডব্লিউ নামের একটি জার্মান ব্যাংক ক্লাইমেট ফান্ডের অধীন ভৈরব নদের তীরে কংক্রিটের তৈরি পাড়, হাঁটার জায়গা এবং ঘাট বানানোর জন্য অর্থায়ন করার পরিকল্পনা ছিল। তবে ব্যবসায়ীদের স্থানান্তরের অনিচ্ছা ও পুনর্বাসনের সক্ষমতা সিটি করপোরেশনের না থাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি।

খুলনা সিটি করপোরেশনের চিফ প্ল্যানিং অফিসার আবির উল জব্বার জানান, বড় বাজারের জমির মালিকানা নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ফলে কোনো সংস্থাই উদ্যোগী হচ্ছে না। লোহাপট্টির ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার যেন বড় বাজার সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

"বড় বাজারের জমির মালিকানা নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিরোধিতা রয়েছে। ফলে কোনো সংস্থাই উদ্যোগী হচ্ছে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা, বড় বাজার, ভৈরব নদী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভবেশ চন্দ্র শিকদার, মশিহুজ্জামান খান, আবির উল জব্বার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖