📌 খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় পলাশ মাহমুদ (৪০) নামের একজন ব্যক্তিকে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির অভিযোগে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। অভিযানে তিন মণ ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় একটি ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির চক্রের অভিযোগে আটক পলাশ মাহমুদ (৪০) নামের ব্যক্তিকে শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এসআরবি-৬ অভিযানে তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় পলাশ মাহমুদ (৪০) নামের ব্যক্তিকে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির অভিযোগে আটক করা হয় এবং তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়
- 📌 অভিযানে তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়, যা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই করা হয়েছিল
- 📌 পলাশ মাহমুদ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন অন্তত ১৬টি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা
- 📌 জীবিত ঘোড়াটি স্থানীয় ইউপি সদস্য মুনছুর আলী শেখের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
২৪ অক্টোবর শনিবার দুপুরে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পলাশ মাহমুদকে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৯-এর ১৬(ক) ধারায় তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২৩ অক্টোবর শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর পোড়াবাড়ি এলাকার সাউথ বেঙ্গল ক্যাটল ফার্মে অভিযান চালিয়ে পলাশকে আটক করা হয়। এসআরবি জানায়, অভিযানের সময় পলাশের সহযোগীরা পালিয়ে যান। এসআরবি-৬ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মোহাম্মদ জিহাদ বলেন, চক্রটি ঘোড়া জবাই করে গরু বা খাসির মাংস হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ও হোটেলে বিক্রি করত বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল কবির জানান, জব্দ করা ঘোড়ার মাংস অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই করা হয়েছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পরে মাংস মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়।
"চক্রটি ঘোড়া জবাই করে গরু বা খাসির মাংস হিসেবে বিক্রি করত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, পোড়াবাড়ি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলাশ মাহমুদ (৪০), সহকারী কমিশনার সোহেল রানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মোহাম্মদ জিহাদ, ডা. আশরাফুল কবির, মুনছুর আলী শেখ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬টি ঘোড়া, তিন মণ ঘোড়ার মাংস, ৪০ বছর বয়স, তিন মাস কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!