📌 খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় চায়ের দোকানে মো. নাসিমুল করিম (৫৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) সদস্য নাসিমুল করিমের বিরুদ্ধে আটটি মামলা ছিল। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় চায়ের দোকানে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. নাসিমুল করিম (৫৫) নিহত হন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ফরমাইশখানা এলাকার তৈয়ব আলী শিকদারের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র প্রথম আলোকে জানান, নাসিমুল করিম পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। এলাকায় রাজনৈতিক বা চরমপন্থী দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় চায়ের দোকানে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. নাসিমুল করিম (৫৫) নিহত হন
- 📌 হত্যাকাণ্ড ঘটে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ফরমাইশখানা এলাকার তৈয়ব আলী শিকদারের দোকানে
- 📌 নাসিমুল করিম পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) সদস্য ছিলেন
- 📌 নাসিমুল করিমের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, অস্ত্র মামলাসহ আটটি মামলা ছিল
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা, তিনটি তাজা গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র প্রথম আলোকে বলেন, নাসিমুল করিম পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার বা চরমপন্থী দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাসিমুল করিমের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সানোয়ার হোসেন জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরমাইশখানা এলাকার তৈয়ব আলী শিকদারের চায়ের দোকানের সামনে বসে ছিলেন নাসিমুল করিম। এ সময় মোটরসাইকেলে দুজন সেখানে আসেন এবং নাসিমুল করিমকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা গুলিবিদ্ধ নাসিমুল করিমকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা, তিনটি তাজা গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, নাসিমুল করিমের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, অস্ত্র মামলাসহ আটটি মামলা ছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ।
"নাসিমুল করিম পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। এলাকায় রাজনৈতিক বা চরমপন্থী দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরমাইশখানা, দিঘলিয়া উপজেলা, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাসিমুল করিম (৫৫), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র, ওসি সানোয়ার হোসেন, তৈয়ব আলী শিকদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর বয়স, ১১:৩০ টা, ৩টি গুলির খোসা, ৩টি তাজা গুলি, ১টি ম্যাগাজিন, ৮টি মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!