📌 যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মাছশিকারিরা অবৈধ বেড়া ও জাল দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে রেখেছিল, ফলে ৬০০ বিঘা আমন ধান পানিতে তলিয়ে যায়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বেড়া-জাল উচ্ছেদ ও ৪ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দের পর ধান রক্ষা পায়
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মাছশিকারিরা অবৈধ বেড়া ও জাল দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে রেখেছিল, ফলে পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের সংযোগস্থলে ৬০০ বিঘা আমন ধান পানিতে তলিয়ে যায়। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে বেড়া-জাল উচ্ছেদ ও নিষিদ্ধ জাল জব্দের পর কৃষকদের ধান রক্ষা পায় এবং জলাবদ্ধতা দূর হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মাছশিকারিরা অবৈধ বেড়া ও জাল দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে রেখেছিল, ফলে ৬০০ বিঘা আমন ধান পানিতে তলিয়ে যায়
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেনের নির্দেশে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়
- 📌 অভিযানে ৮টি পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ ও নষ্ট করা হয়
- 📌 কৃষক জাকারিয়া ও আব্দুস সামাদের ৫ ও ৪ বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধান রক্ষা পায়
- 📌 উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শুভংকর মোড়ল বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় আর কোনো ক্ষতি হবে না
📰 বিস্তারিত
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মাছশিকারিরা অবৈধ বেড়া ও জাল দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে রেখেছিল, ফলে পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের সংযোগস্থলে ৬০০ বিঘা আমন ধান পানিতে তলিয়ে যায়। গত রোববার ও সোমবারের টানা বৃষ্টিতে উপজেলার সাতবাড়িয়া, কড়িয়াখালী, বেগমপুর ও জাহানপুর বিলসহ পদ্মবিলের প্রায় ৬০০ বিঘা আমন ধান পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় মাছশিকারিরা কোমরপুরের কাটা খালের সংযোগস্থলে বাঁশের বেড়া ও জাল দিয়ে পানি প্রবাহের পথ আটকে দেয়। ফলে পানি বের হতে না পেরে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানখেত ডুবে যায়।
কৃষকদের অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেনের নির্দেশনায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস আনসার-ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কোমরপুরের কাটা খালে বাঁশের বেড়া ও জাল উচ্ছেদের পর দ্রুত পানি নামতে শুরু করে এবং তলিয়ে যাওয়া খেত জেগে ওঠে। অভিযানকালে পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের ৮টি পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে নষ্ট করা হয়।
কৃষক জাকারিয়া বলেন, পদ্মবিলে তাঁর ৫ বিঘা জমির আমন ধান তলিয়ে যায়। পানি বের হতে না পারায় বিলের সব জমির ধান ডুবে যায়। পার্শ্ববর্তী জাহানপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ বলেন, তাঁরও ৪ বিঘা জমির ধান তলিয়ে যায়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাঁশের বেড়া ও জাল উচ্ছেদ হওয়ায় কৃষকের ডুবে যাওয়া ধান রক্ষা পেয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শুভংকর মোড়ল বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে খালে বাঁশের বেড়া ও জাল সরিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় আমন ধানের আর কোনো ক্ষতি হবে না।
জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস বলেন, ‘কৃষকদের অভিযোগ পাওয়ার পরই ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় অবৈধ বেড়া ও জাল উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে ৬০০ বিঘা আমন ধান রক্ষা পেয়েছে। পাশাপাশি চার হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দের পর বিনষ্ট করা হয়েছে।’
"কৃষকদের অভিযোগ পাওয়ার পরই ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় অবৈধ বেড়া ও জাল উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে ৬০০ বিঘা আমন ধান রক্ষা পেয়েছে। পাশাপাশি চার হাজার মিটার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দের পর বিনষ্ট করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেশবপুর উপজেলা, যশোর; পদ্মবিল ও মর্শিনা বিলের সংযোগস্থল (কোমরপুরের কাটা খাল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস, কৃষক জাকারিয়া ও আব্দুস সামাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ বিঘা (আমন ধান), ৪ হাজার মিটার (নিষিদ্ধ জাল), ৫ বিঘা ও ৪ বিঘা (কৃষকদের জমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!