📌 ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী পরিবারের উপর সন্ত্রাসীদের হামলায় আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গর্ভপাত হয় এবং বোনের শারীরিক নির্যাতন ঘটে। আট সপ্তাহের গর্ভপাতের পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুর ও টাকা লুটপাটের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী পরিবারের উপর সন্ত্রাসীদের নির্যাতনমূলক হামলায় আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গর্ভপাত হয় এবং বোনের শারীরিক নির্যাতন ঘটে। ঘটনাটি ঘটে গত ৫ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে জামাল ইউনিয়নের তৈলকুপী গ্রামে। সন্ত্রাসীরা প্রতিবন্ধী স্বামী রুবেল হোসেনকে মারপিটের সময় তার স্ত্রী সাবিহা খাতুনকে পেটে লাথি মারায় গর্ভপাতের কারণ হয়। এছাড়াও বোনের শারীরিক নির্যাতন ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবন্ধী রুবেল হোসেনের বাড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলায় তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সাবিহা খাতুনের গর্ভপাত হয় এবং বোন পপি খাতুনকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
- 📌 সন্ত্রাসীরা রুবেলের টিনের বসতঘর ভাঙচুর করে ৭০ হাজার টাকা লুট করে নেয়।
- 📌 ঘটনায় অভিযুক্ত সোহাগ হোসেনসহ সাতজনকে লক্ষ্য করে রুবেল হোসেন ১৭ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
- 📌 পুলিশের পূজার ডিউটির কারণে তদন্তে কিছুটা দেরি হলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জামাল ইউনিয়নের তৈলকুপী গ্রামের প্রতিবন্ধী রুবেল হোসেনের বাড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলায় তার স্ত্রী সাবিহা খাতুনের গর্ভপাত হয়। সন্ত্রাসীরা রুবেলকে মারপিটের সময় তার স্ত্রীকে রক্ষায় এগিয়ে আসলে তার পেটে লাথি মারায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ ঘটনায় সাবিহাকে যশোর হাসপাতালে এবং বোন পপিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ত্রাসীরা রুবেলের বাড়িঘর ভাঙচুর করে ৭০ হাজার টাকা লুট করে।
রুবেল হোসেন জানান, পূর্বে তাদের পরিবারের সাথে সন্ত্রাসীদের পরিবারের বিরোধ ছিল। সন্ত্রাসীরা মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে হামলা চালায়। তিনি বলেন, তার স্ত্রীর গর্ভপাতের কারণ হচ্ছে সন্ত্রাসীদের লাথি মারার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।
রুবেলের অভিযোগে সোহাগ হোসেনসহ সাতজনকে লক্ষ্য করে ১৭ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে অভিযোগ দায়েরের চার দিন পরও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী জানান, পূজার ডিউটির কারণে তদন্তে কিছুটা দেরি হলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
"সন্ত্রাসীরা আমার স্ত্রীর পেটে লাথি মারায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে গর্ভপাত হয়েছে। আমার বোনেরও শারীরিক নির্যাতন হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা, জামাল ইউনিয়নের তৈলকুপী গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিবন্ধী রুবেল হোসেন, স্ত্রী সাবিহা খাতুন, বোন পপি খাতুন, সন্ত্রাসী নেতা সোহাগ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর (হামলার তারিখ), ৭ জন সন্ত্রাসী, ৭০ হাজার টাকা (লুট করা), ৪ দিন (অভিযোগ দায়েরের পরে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!