📌 ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর এলাকায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে ২৫টি বাড়ি ও ৫টি দোকান ভাঙচুরের শিকার হয়
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর বেদে পল্লী এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে অব্যাহত ছিল। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের ২০টি বাড়ি ও ৫টি দোকান ব্যাপকভাবে ভাঙচুরের শিকার হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঝিনাইদহের কাশিপুর এলাকায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত
- 📌 সংঘর্ষে ২০টি বাড়ি ও ৫টি দোকান ভাঙচুরের শিকার
- 📌 রেজাউল ইসলাম ওরফে রেজা ও তার সমর্থকদের সঙ্গে মকলেছ হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ
- 📌 ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর রেজা ও তার দল এলাকায় ফিরে আসেন
- 📌 পুলিশ অতিরিক্ত মোতায়েন করেছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে
📰 বিস্তারিত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রেজাউল ইসলাম ওরফে রেজা এবং তার সমর্থকদের সঙ্গে মকলেছ হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। রেজা ও তার দলের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকায় তিনি দীর্ঘদিন এলাকাছাড়া ছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি ও তার সমর্থকরা এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় কাশিপুর ক্লাব মোড় এলাকায় রেজাউলের সমর্থকরা হামলা চালায়। মুহূর্তের মধ্যেই তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বাড়িঘর ও ৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে ভাঙচুরের শিকার হয়। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
"সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত কয়েক দফা চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। এছাড়া তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় ২০টি বাড়ি ও ৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর বেদে পল্লী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল ইসলাম (রেজা) ও মকলেছ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন আহত, ২০টি বাড়ি, ৫টি দোকান ভাঙচুর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!