📌 ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় পরকীয়ার অপবাদে এক ৪০ বছর বয়সী নারীকে মারধর করে চুল কেটে দেওয়া এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখানো হয়েছে। ঘটনায় মায়ের রক্ষা করতে গিয়ে ছেলেও আহত হন। পুলিশ তদন্ত করছেন কিন্তু এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় পরকীয়ার অপবাদে এক নারীকে মারধর করে চুল কেটে দেওয়া এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখানোর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় মায়ের রক্ষা করতে গিয়ে তাঁর ছেলেও মারধরের শিকার হন। পুলিশ তদন্ত করছেন কিন্তু এখনো কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪০ বছর বয়সী নারী পরকীয়ার অপবাদে মারধর, চুল কেটে দেওয়া এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখানো হয়
- 📌 মায়ের রক্ষা করতে গিয়ে ছেলেও মারধরের শিকার হন এবং লাঠি দিয়ে আঘাত পান
- 📌 পুলিশ তদন্ত করছেন কিন্তু এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি
- 📌 রসিদ নামের ব্যক্তি ও তাঁর সঙ্গী আনোয়ারের স্ত্রী ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ
- 📌 ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার রাতে এবং শুক্রবার বিকেলে ঘটনার বিবরণ জানা যায়
📰 বিস্তারিত
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার করোতিপাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে এক নারীকে মারধর করে চুল কেটে দেওয়া এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখানোর ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ৪০ বছর বয়সী। তাঁর স্বামী ইজিবাইকচালক এবং ছেলে পাশের বাজারে চুল কাটার কাজ করেন। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে নারী বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নারীর স্বামী কাজে বের ছিলেন। নারী বাড়িতে কাজ করছিলেন। এ সময় নসায়নপুর গ্রামের রসিদ নামের এক ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে এসে বলেন, ‘আনোয়ার নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে’। নারী অভিযোগ অস্বীকার করলে আরও চারজন বাড়িতে ঢুকেন। তাঁদের মধ্যে একজন আনোয়ারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তুলে নারীর চুলের মুঠি ধরে মারধর শুরু করেন। এ সময় তাঁর পরনের কাপড়ও টানাহেঁচড়া করা হয়।
ভুক্তভোগী নারী জানান, আনোয়ারের স্ত্রী তাঁর ব্যাগ থেকে কাঁচি বের করেন। অন্যরা তাঁকে ধরে রাখলে ওই নারী তাঁর মাথার চুল কেটে দেন। এরপর তাঁকে আরও মারধর করা হয়। পরে ব্যাগ থেকে বড় একটি প্যাকেট বের করে তাঁর শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে দিয়ে তাঁরা চলে যান। ঘটনার সময় মায়ের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হন ছেলে। তিনি বলেন, ‘আমি ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। মায়ের কান্নার শব্দ শুনে বের হয়ে দেখি, কয়েকজন মায়ের শরীরে ঝালের গুঁড়া মাখাচ্ছে। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকেও লাঠি দিয়ে মারধর করে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এভাবে বাড়িতে ঢুকে একজন নারীকে মারধর, চুল কেটে দেওয়া ও শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখানোর ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্থানীয়দের দাবি, আনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে থাকেন না। তিনি শহরে থাকেন এবং গ্রামেও তেমন আসেন না।
"আমি ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। মায়ের কান্নার শব্দ শুনে বের হয়ে দেখি, কয়েকজন মায়ের শরীরে ঝালের গুঁড়া মাখাচ্ছে। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকেও লাঠি দিয়ে মারধর করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহ সদর উপজেলা, করোতিপাড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ৪০ বছর বয়সী নারী, তাঁর ছেলে, রসিদ, আনোয়ার ও তাঁর স্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর বয়সী নারী, ৪ জন (অপরাধীরা), ১ জন (আনোয়ারের স্ত্রী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!