📌 জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় এক কৃষকের বাড়িতে ৭৫ বস্তা সার পাওয়া যায়,其中 ৫৪ বস্তা অবৈধ মজুত হিসেবে জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত কৃষককে জরিমানা করে সারগুলো স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা নেয়।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় অভিযানের সময় এক কৃষকের বাড়িতে ৭৫ বস্তা সার পাওয়া গেলে সার মজুতের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫৪ বস্তা অবৈধভাবে মজুত করা সার জব্দ করা হয় এবং কৃষককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭৫ বস্তা সার পাওয়া যায় পাঁচবিবি উপজেলার এক কৃষকের বাড়িতে, এর মধ্যে ৫৪ বস্তা অবৈধ মজুত হিসেবে জব্দ করা হয়
- 📌 জব্দকৃত সারের মধ্যে টিএসপি ১২ বস্তা, এমওপি ২০ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা ও ইউরিয়া ৩ বস্তা রয়েছে
- 📌 কৃষক রমজান ২১ বস্তা সারের বৈধ রসিদ দেখাতে সক্ষম হন, বাকি ৫৪ বস্তার কোনো কাগজপত্র না থাকায় সেগুলো জব্দ করা হয়
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ স্থানীয় কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
- 📌 জব্দকৃত সারগুলো পাঁচবিবি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের শিরতা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাশপিয়া তাসরিনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জহির রায়হানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের সময় কৃষক রমজানের বাড়িতে ৭৫ বস্তা সার পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২১ বস্তা সারের বৈধ রসিদ দেখাতে সক্ষম হন কৃষক, কিন্তু বাকি ৫৪ বস্তার কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সেগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের মধ্যে টিএসপি ১২ বস্তা, এমওপি ২০ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা ও ইউরিয়া ৩ বস্তা রয়েছে।
কৃষক রমজান দাবি করেন, তিনি আলুর জমিতে ব্যবহারের জন্য সারগুলো কিনে বাড়িতে রেখেছিলেন। সারের সংকটের আশঙ্কায় আগেভাগে সার কিনে রেখেছিলেন বলে তিনি বলেন। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কৃষক ২১ বস্তা সারের বৈধ মেমো দেখাতে পেরেছেন, বাকি ৫৪ বস্তার কোনো মেমো দেখাতে পারেননি।
অভিযান শেষ হতে রাত হয়ে যাওয়ায় জব্দকৃত সারগুলো বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। সারগুলো পাঁচবিবি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানান পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, জব্দকৃত সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে পাওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
"আলুর জমিতে ব্যবহারের জন্য সারগুলো কিনে বাড়িতে রেখেছিলেন। সারের সংকটের আশঙ্কায় আগেভাগে সার কিনে রেখেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিরতা গ্রাম, আওলাই ইউনিয়ন, পাঁচবিবি উপজেলা, জয়পুরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষক রমজান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ বস্তা সার (মোট), ৫৪ বস্তা অবৈধ মজুত, ২১ বস্তা বৈধ সার, টিএসপি ১২ বস্তা, এমওপি ২০ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা, ইউরিয়া ৩ বস্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!