📌 যশোরের বাঘারপাড়ায় নিজ বাড়িতে মা ও তার ৭ বছর বয়সী ছেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় স্বামী ও একমাত্র মেয়ে বাড়িতে ছিলেন না। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খলশী গ্রামে নিজ বসতঘরে মা ও তার ৭ বছর বয়সী ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জোবাইদা বেগম ও তার ছেলে জিসানকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ লাশ দু’টি উদ্ধার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খলশী গ্রামে মা ও ৭ বছর বয়সী ছেলের লাশ উদ্ধার
- 📌 জোবাইদা বেগম ও তার ছেলে জিসানের মৃত্যুতে স্বামী জাকির শিকদার ও প্রতিবেশী সিহাবকে গ্রেপ্তার
- 📌 ঘটনার সময় জাকির শিকদার ও তার মেয়ে বাড়িতে ছিলেন না
- 📌 লাশ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার রাত ৮টার দিকে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খলশী গ্রামে নিজ বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় জোবাইদা বেগম ও তার ৭ বছর বয়সী ছেলে জিসানকে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দু’টি উদ্ধার করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জোবাইদা বেগমের পাশে তার ছেলে জিসানের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ পড়ে ছিল।
ঘটনার সময় জোবাইদা বেগমের স্বামী জাকির শিকদার ও তাদের একমাত্র মেয়ে বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে জাকির শিকদার ও প্রতিবেশী মৃত গোলাম শিকদারের ছেলে সিহাবকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাকির শিকদার দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর প্রায় এক বছর আগে দেশে ফেরেন। তার মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী সিহাবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কয়েক দফা সমাধানের চেষ্টাও হয়েছিল।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরে পুলিশ এসে লাশ দু’টি উদ্ধার করে। বাঘারপাড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, লাশ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
"এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে স্থানীয়দের ধারণা। তবে কী কারণে এবং কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তারা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খলশী গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোবাইদা বেগম, জিসান, জাকির শিকদার, সিহাব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর, ২৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!