📌 জামালপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী একসময় এলাকার জীবনরেখা ছিল, কিন্তু বর্তমানে শুকনো ভূমিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থতা ও জমি দখলের কারণে নদীর স্বাভাবিক রূপ হারিয়ে গেছে
জামালপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী একসময় এলাকার জীবন ও প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল, কিন্তু বর্তমানে তা শুকনো ভূমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থতা ও জমি দখলের কারণে নদীর স্বাভাবিক রূপ হারিয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী এখন শুকনো ভূমিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে আগে ছিল স্রোতধারা।
- 📌 স্থানীয়দের দাবি, কোটি কোটি টাকা খরচ করেও নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থতা সত্ত্বেও জমি দখল করে নদীর গতিপথ বদলে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 পানির প্রবাহ না থাকায় নদীর পথে আগাছা জন্মেছে এবং অনেক জায়গা মশা প্রজননের কারখানায় পরিণত হয়েছে।
- 📌 স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্রকে আবার স্রোতধারার সঙ্গে যুক্ত করা যায় তাহলে এলাকার পরিবেশ বদলে যেতে পারে।
📰 বিস্তারিত
জামালপুর শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদী এখন ‘পুরাতন ব্রহ্মপুত্র’ নামে পরিচিত। নদীর বেশ কয়েক কিলোমিটার এলাকা শুকনো ভূমিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় প্রতিবেদকদের মতে, কোথাও কোথাও সামান্য পানি জমে থাকলেও তা নদীর স্বাভাবিক রূপকে ধরে রাখতে পারছে না। একসময় যেখানে ছিল স্রোত, সেখানে এখন খেলার মাঠ, গবাদিপশুর চারণভূমি বা অন্যান্য ব্যবহারে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থতা সত্ত্বেও জমি দখলের কারণে নদীর গতিপথ বদলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পানির প্রবাহ না থাকায় নদীর পথে আগাছা জন্মেছে। অনেক জায়গা মশা প্রজননের কারখানায় পরিণত হয়েছে। এছাড়াও, নদীর অনেক জায়গা জমি দখলের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।
প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন জামালপুরের স্থানীয় প্রতিবেদকরা: সামিহা নুজহাত, মুহাম্মাদ রাফিন, মো. সাফিয়ান হাসান, জান্নাত হাফসা, খন্দকার তাসনিয়া নূর (১৩), মীম আক্তার (১৪), নওশীন জাহান (১৫), সাবেকুন্নাহার (১৬)।
"একসময় যে নদ এই এলাকার জীবন ও প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। তবে আজ সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় প্রতিবেদকরা (সামিহা নুজহাত, মুহাম্মাদ রাফিন, মো. সাফিয়ান হাসান, খন্দকার তাসনিয়া নূর, নওশীন জাহান, মীম আক্তার, সাবেকুন্নাহার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫০ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!