📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ৪ মাস বয়সী শিশু বিক্রির অভিযোগ: দাদি আহাজারি করছেন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ৪ মাস বয়সী শিশু বিক্রির অভিযোগ: দাদি আহাজারি করছেন

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ৪ মাস বয়সী একটি শিশুকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শিশুটিকে বিক্রি করে বাবা-মা পালিয়ে গেছেন বলে দাবি করছেন তার দাদি সালেহা বেগম। স্থানীয়রা আহাজারি করছেন এবং পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে চাইছেন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় একটি শিশু বিক্রির অভিযোগে দাদি সালেহা বেগম আহাজারি করছেন। স্থানীয় খড়মা তেলিপাড়া গ্রামের সালমান ও তার স্ত্রী লাইলা দম্পতির চার মাস বয়সী ছেলে সোলায়মানকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে বাবা-মা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুটিকে ক্রেতা নারীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করছেন সালেহা বেগম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খড়মা তেলিপাড়া গ্রামে ৪ মাস বয়সী শিশু সোলায়মানকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 শিশুটিকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে বাবা-মা ঢাকার একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করে সিলেটের শ্বশুরবাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন
  • 📌 শিশুটির দাদি সালেহা বেগমের দাবি, গর্ভাবস্থায় থেকেই শিশুটিকে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল
  • 📌 স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, শিশুটিকে বিক্রি করার সময় তারা প্রতিবাদ করলেও কেউ তাদের কথা শোনেনি
  • 📌 দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি

📰 বিস্তারিত

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খড়মা তেলিপাড়া গ্রামে সালমান ও তার স্ত্রী লাইলা দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। তাদের বড় সন্তান মেয়ে এবং ছোট ছেলে সোলায়মানের বয়স চার মাস। সালেহা বেগমের অভিযোগ, শিশুটিকে একই ইউনিয়নের রুনা নামে এক নারীর কাছে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। সালেহা বেগম বলেন, তার ছেলে ও ছেলের বউ ঋণগ্রস্ত এবং নেশায় আসক্ত। তিনি দাবি করেন, টাকার জন্যই শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছে।

সালেহা বেগম আরও বলেন, “গর্ভে থাকাবস্থায় তারা শিশুটিকে বিক্রি করে। জন্মের চার মাস পর শিশুটিকে ক্রেতা নারীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, তিনি নাতিকে কোলে-পিঠে করে বড় করেছেন। কিন্তু হঠাৎ নাতিকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। শিশুটির মামি রেনু বেগম বলেন, “আমাদের সামনে চার মাসের শিশু সোলায়মানকে রুনার কাছে তুলে দেওয়া হয়। আমরা কান্নাকাটি করে প্রতিবাদ করেছি, হাত-পা ধরেছি। কিন্তু কেউ আমাদের কথা শোনেনি।”

স্থানীয় কয়েকজন নারীও একই অভিযোগ করেছেন। তাদের ভাষ্য, শিশুটিকে টাকা নিয়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সালমান ও তার স্ত্রী যে ঘরে থাকতেন, সেটি তালাবদ্ধ করা হয়েছে। তারা বর্তমানে কোথায় রয়েছেন তা জানতে পারেননি স্থানীয়রা। সালমানের শ্বশুরবাড়ি সিলেট অঞ্চলে এবং তিনি ও তার স্ত্রী ঢাকার একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করেন বলে জানা গেছে।

"গর্ভে থাকাবস্থায় তারা শিশুটিকে বিক্রি করে। জন্মের চার মাস পর শিশুটিকে ক্রেতা নারীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।"
"আমাদের সামনে চার মাসের শিশু সোলায়মানকে রুনার কাছে তুলে দেওয়া হয়। আমরা কান্নাকাটি করে প্রতিবাদ করেছি, হাত-পা ধরেছি। কিন্তু কেউ আমাদের কথা শোনেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খড়মা তেলিপাড়া গ্রাম, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা, জামালপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালেহা বেগম, সালমান, লাইলা, রেনু বেগম, রুনা, আনোয়ার হোসেন (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ মাস (শিশুর বয়স), ৫০ হাজার টাকা (বিক্রি মূল্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖