📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরের জমি বিক্রির টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার লাশের পরিচয়: হত্যাকাণ্ডের পেছনে ঋণ ও বিয়ে প্রস্তুতি

জামালপুরের জমি বিক্রির টাকা নিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার লাশের পরিচয়: হত্যাকাণ্ডের পেছনে ঋণ ও বিয়ে প্রস্তুতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের ইসমাইল হোসেন (৫০) জমি বিক্রির টাকা নিয়ে গাজীপুর থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়া তার লাশের মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। পরিবার ধারণা করে, টাকার জন্য হত্যা করা হতে পারে

জামালপুরের হবদেশ গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন (৫০) জমি বিক্রির টাকা নিয়ে গাজীপুর থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। শুক্রবার সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, টাকার জন্য তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামালপুরের ইসমাইল হোসেন (৫০) জমি বিক্রির টাকা নিয়ে গাজীপুর থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়া তার লাশের মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল।
  • 📌 পরিবার জানায়, ইসমাইল ১১ শতাংশ জমি বিক্রি করে ১০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকায় আসার কথা ছিল।
  • 📌 নিহতের ছেলে মো. হাসান বলেন, বাবা ঋণ পরিশোধ ও বাড়ি নির্মাণের জন্য টাকা ব্যবহার করেছিলেন। বিয়ে প্রস্তুতি ও ঋণের কারণে গাজীপুরে রেখে একা গ্রামে যান তিনি।
  • 📌 পুলিশের ধারণা, ইসমাইলকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লাশ ফেলে দেওয়া হতে পারে।
  • 📌 বনানী থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর বনানীতে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় শনাক্তের পর জানা গেছে, নিহত ইসমাইল হোসেন (৫০) জামালপুরের হবদেশ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জমি বিক্রি করতে জামালপুর গিয়েছিলেন। সেই টাকা সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, পথে তাঁর সঙ্গে থাকা টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে স্বজনেরা ইসমাইলের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গতকাল শুক্রবার সকালে বনানীতে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত হয়।

নিহতের ছেলে মো. হাসান বলেন, তাঁদের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার হবদেশ গ্রামে। বর্তমানে তাঁরা গাজীপুরের কাশিমপুরের করলাপাড়া এলাকায় থাকেন। ইসমাইল আগে একটি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে প্রায় নয় মাস আগে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। তবে পুলিশ জানিয়েছিল, ইসমাইল হোসেন পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন। লাশ উদ্ধারের সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি পরা ছিলেন তিনি।

হাসান বলেন, তাঁর ছোট বোন শারমিনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের পরিবারের অনেক ঋণ ছিল। এসব কারণে প্রায় চার মাস আগে তাঁদের গাজীপুরে রেখে একা গ্রামের বাড়িতে যান তাঁর বাবা। পরে বসতভিটার ১১ শতাংশ জমি সাড়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। সেই টাকা থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করেন এবং বাড়িতে ঘর নির্মাণ করেন। বাকি ৫ লাখ টাকা সঙ্গে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল।

হাসান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সঙ্গে তাঁর বাবার শেষ কথা হয়। তখন ইসমাইল জানিয়েছিলেন, রাত ৩টার বাসে জামালপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাবাকে নিতে আশুলিয়ার জিরানী বাসস্ট্যান্ডে যান তিনি। সেখানে গিয়ে বাবাকে ফোন করলে মোবাইল বন্ধ পান। পরে বাসায় ফিরে যান। এরপর শুক্রবার দুপুরে পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারেন, তাঁর বাবার মরদেহ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর পাওয়া গেছে।

নিহতের ভাতিজা মো. মোকাদ্দেস বলেন, ইসমাইলের জামালপুর থেকে গাজীপুরে যাওয়ার কথা ছিল। সেক্ষেত্রে তাঁর ঢাকায় আসার কোনো কারণ ছিল না। তাঁদের ধারণা, পথে কোনো ছিনতাইকারী বা চক্র তাঁর সঙ্গে টাকা থাকার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে অপহরণ করে। পরে হত্যা করে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মরদেহ গোপন করার জন্য এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে রেখে যেতে পারে।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইসমাইলকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে কোনো একটি গাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হতে পারে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (বনানী), জামালপুর সদর উপজেলা (হবদেশ গ্রাম), গাজীপুরের কাশিমপুরের করলাপাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসমাইল হোসেন (৫০), মো. হাসান (ছেলে), মো. মোকাদ্দেস (ভাতিজা), ফরিদুল ইসলাম (বনানী থানার ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (বয়স), ১১ (শতাংশ জমি), ১০ (লাখ টাকা), ৫ (লাখ টাকা), ৩ (টার বাস), ৮ (টার বাসস্ট্যান্ডে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖