📌 সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইছামতি নদীতে গোসলে নিখোঁজ হওয়ার ২২ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল শিশু জোনায়েদ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। শিশুটি ১২ বছর বয়সী এবং তার মা মৃদু মিয়া
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইছামতি নদীতে গোসলে নিখোঁজ হওয়ার পর ২২ ঘণ্টা পর শিশু জোনায়েদ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ বছর বয়সী জোনায়েদ হোসেনের মরদেহ ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 শিশুটি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চার বন্ধুর সঙ্গে গোসলে নিখোঁজ হয়েছিল
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা জাল দিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে, পরে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল আসে
- 📌 মরদেহ উদ্ধার করা হয় নিখোঁজ হওয়া স্থান থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে
- 📌 কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকৃত মরদেহের পরিচয়
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইছামতি নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়ার পর শিশু জোনায়েদ হোসেনের মরদেহ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে উদ্ধার করা হয়। জোনায়েদ হোসেন ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তার মা মৃদু মিয়া। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চার বন্ধুর সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামেন জোনায়েদ। এ সময় তিন বন্ধু সাঁতরে নদী থেকে উঠে আসতে পারলেও জোনায়েদ পানিতে ডুবে যায়।
নিখোঁজ হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা জাল দিয়ে নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে শনিবার সকালে আবারও তল্লাশী চালায় ডুবুরি দল। সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে নদীর ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন জানান, নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জোনায়েদ যে স্থানে নিখোঁজ হয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে নদীর ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
"নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোনায়েদ হোসেন (১২), মৃদু মিয়া, ফরিদ উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর, ৩১ অক্টোবর, ৩০ অক্টোবর, ১৫০ মিটার, ২২ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!