📌 কারফিউর সময় ঢাকার এক শিক্ষার্থী ও বন্ধু রেদোয়ানের জীবন বাঁচানোর গল্প। ফোন থেকে ডিলিট করা ছবি ট্র্যাশে থাকায় রেদোয়ানকে আটক করা হলেও ঠান্ডা মাথা ও সতর্কতার কারণে লেখক বেঁচে যান
কারফিউর সময় ঢাকার লালবাগের এক শিক্ষার্থী ও তার বন্ধু রেদোয়ানের জীবন বাঁচানোর গল্পে ঠান্ডা মাথা ও সতর্কতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। জুলাই মাসের শুরুতে কারফিউ শুরু হওয়ার পর থেকে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও নেটওয়ার্কের কারণে মানুষের মধ্যে অসহায়তা ও ভয় ছড়িয়ে পড়েছিল। লেখক ফারহান ইয়ামিন জানান, কারফিউর দ্বিতীয় দিন ২১ জুলাই সন্ধ্যায় তারা আজিমপুর কলোনি দেখতে গিয়েছিলেন। রাতে ঘুমানোর আগে তারা জানতে পারেন যে, পুলিশ প্রতিটি ফ্ল্যাটে যাচ্ছে এবং মুঠোফোন থেকে ছবি থাকলে জেলের হুমকি দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ জুলাই কারফিউর দ্বিতীয় দিনে লেখক ও বন্ধু রেদোয়ান আজিমপুর কলোনি দেখতে গিয়েছিলেন, কিন্তু রাতে ফোন থেকে সন্দেহজনক ছবি ডিলিট না করার কারণে রেদোয়ানকে পুলিশ আটক করে সদরঘাটের কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়।
- 📌 লেখক ফোন থেকে ছবি ডিলিট করলেও ‘Recently Deleted’ ফোল্ডারে থাকা ছবির কারণে রেদোয়ানকে পুলিশ আটক করে।
- 📌 পুলিশ তল্লাশির সময় লেখকের ফোনে কোনো সন্দেহজনক প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও রেদোয়ানকে পুরো দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
- 📌 লেখক বলেন, ‘নিজের ক্ষতি করিস না’ — এই বাক্য তার মায়ের কথা, যা তাকে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়।
📰 বিস্তারিত
কারফিউর সময় ঢাকার লালবাগের শিক্ষার্থী ফারহান ইয়ামিন তার বন্ধু রেদোয়ানের সাথে বাইরে বের হন। তারা বুড়িগঙ্গার পাড়ে গিয়ে বেল্লাল মামার বিখ্যাত মুড়ি খেতে যান। কিন্তু এক প্লেট মুড়ির দাম ছিল ১৪০ টাকা এবং তাদের সিরিয়াল নম্বর ৩৫। অপেক্ষা না করে তারা হেঁটে বাবুবাজার ব্রিজের দিকে যান। সেখানে পুলিশ তাদের রিকশা থামিয়ে তল্লাশি শুরু করে। লেখক তার ফোন পরিষ্কার রাখার কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও রেদোয়ানের ফোনে ট্র্যাশে থাকা ছবি পুলিশের নজরে পড়ে।
পুলিশ রেদোয়ানের ফোন থেকে আজিমপুরের ছবি দেখে সন্দেহজনক মনে করে তাকে আটক করে সদরঘাটের কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়। লেখক বলেন, “আম্মার শ্বাস আমি শুনতে পেয়েছিলাম। আর অন্যদিকে সৌভাগ্যবশত বহু ধকল ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরিস্থিতি স্পষ্ট হলে সেদিন গভীর রাতে পুলিশ রেদোয়ানকেও ছেড়ে দেয়।”
লেখক মনে করেন, ঠান্ডা মাথা ও সতর্কতার কারণে তিনি বেঁচে যান। তিনি বলেন, “আম্মার কণ্ঠ এখনো কানে বাজছিল, ‘নিজের ক্ষতি করিস না’। এটাই হয়তো বড় হওয়া। সাহস দেখানো নয়, ঠান্ডা মাথায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া।”
"তুই আমার একটা ছেলে। নিজের ক্ষতি করিস না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (লালবাগ, আজিমপুর কলোনি, বুড়িগঙ্গার পাড়, বাবুবাজার ব্রিজ, সদরঘাট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারহান ইয়ামিন (লেখক), রেদোয়ান (বন্ধু), পুলিশ কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ জুলাই (কারফিউর দ্বিতীয় দিন), ১৪০ টাকা (মুড়ির দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!