📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হবিগঞ্জের পরিবহন শ্রমিকদের মারধর ও বাস আটকানোর প্রতিবাদে শুরু অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

হবিগঞ্জের পরিবহন শ্রমিকদের মারধর ও বাস আটকানোর প্রতিবাদে শুরু অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের শ্রমিক-মালিকরা মৌলভীবাজারের পরিবহন সংস্থার বিরুদ্ধে মারধর ও বাস আটকানোর প্রতিবাদে ১ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটের ফলে হবিগঞ্জের পরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

হবিগঞ্জ জেলায় পরিবহন শ্রমিকদের ওপর মারধর ও বাস আটকানোর প্রতিবাদে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের শ্রমিক-মালিকরা বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটের ফলে হবিগঞ্জ জেলার সকল রুটে গণপরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা যাত্রীদের জন্য বড় সমস্যা সৃষ্টি করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের শ্রমিক-মালিকরা মৌলভীবাজারের পরিবহন সংস্থার বিরুদ্ধে ধর্মঘট শুরু করেছে
  • 📌 মৌলভীবাজারের এসএমএস পরিবহনের শ্রমিকরা হবিগঞ্জের বাস চালক ও শ্রমিকদের শেরপুর এলাকায় আটকে দিয়ে মারধর ও বাস ভাঙচুর করছে
  • 📌 ধর্মঘটের কারণে হবিগঞ্জ জেলার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে
  • 📌 গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠক হলেও বিরোধ নিষ্পত্তি হয়নি
  • 📌 ধর্মঘটের ফলে হবিগঞ্জের যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে

📰 বিস্তারিত

হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজারের এসএমএস পরিবহনের শ্রমিক-মালিকরা হবিগঞ্জের এক্সপ্রেস বাস চালক ও শ্রমিকদের শেরপুর এলাকায় আটকে দিয়ে মারধর ও বাস ভাঙচুর করে আসছে। সর্বশেষ তাদের তিনটি বাসও পরিবহনটির কার্যালয়ের সামনে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ পাঁচজন সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সমঝোতা বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দুই পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে গত ১১ সেপ্টেম্বর এবং সর্বশেষ ২৪ সেপ্টেম্বর সিলেট থেকে তিনটি বিরতিহীন এক্সপ্রেস বাস মৌলভীবাজারে পৌঁছালে সেগুলো আটকে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদেই বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করা হয়েছে।

আবু মঈন চৌধুরী সোহেল আরও জানান, এর আগেও এই বিরোধের জেরে হবিগঞ্জের ওপর দিয়ে মৌলভীবাজারের বাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। শায়েস্তাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটেছিল। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

"দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরতিহীন এক্সপ্রেস বাসের চালক ও শ্রমিকদের শেরপুর এলাকায় আটকে দিয়ে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করে আসছেন। সর্বশেষ তাদের তিনটি বাসও পরিবহনটির কার্যালয়ের সামনে আটকে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হবিগঞ্জ জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু মঈন চৌধুরী সোহেল (হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর (ধর্মঘট শুরু), ৬টা (সকাল), ১২ জুন (সমঝোতা বৈঠক), ১১ সেপ্টেম্বর ও ২৪ সেপ্টেম্বর (বাস আটকানো)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖