📌 হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। হবিগঞ্জের মোটর মালিক গ্রুপের ডাকে জেলার সব যানবাহন মালিক-শ্রমিকরা ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের বাস আটকে রাখার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দুপক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধের জেরে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়েছে
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের জেরে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর থেকে হবিগঞ্জের অভ্যন্তরীণ রুটসহ দূরপাল্লার সব গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের ডাকে জেলার সব যানবাহন মালিক-শ্রমিক নেতারা একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এবং ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ অক্টোবর থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে।
- 📌 হবিগঞ্জের মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেছেন, ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের এসএমএস কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জের ২২টি বাস আটকে রেখেছে।
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে বাস চলাচল শুরু হলে মৌলভীবাজারের কর্তৃপক্ষ ৩টি বাস আটকে রেখেছে। এখনো বাসগুলো ছাড়েনি।
- 📌 ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল করবে। তবে শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের বাস কোনো স্টপেজ দিতে পারবে না।
- 📌 মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এসএমএস বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম রিপন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, শ্রীমঙ্গলের শ্রমিকরা বাসগুলো আটকে রেখেছে এবং হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আহত শ্রমিকদের মধ্যে একজন আইসিইউতে রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে চলমান বিরোধের জেরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। হবিগঞ্জের মোটর মালিক গ্রুপের ডাকে জেলার সব যানবাহন মালিক-শ্রমিক নেতারা একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-শেরপুর-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে দুই জেলার মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ চলছে।
গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে আগের মতো বাস চলাচল করবে। তবে শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের বাস কোনো স্টপেজ দিতে পারবে না। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচল করছিল। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের এসএমএস মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের ২২টি বাস আটকে রাখেন বলে দাবি করেন সোহেল। পরে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে সমঝোতা হয়। বৈঠকের পর আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
সোহেল বলেন, ‘২৪ সেপ্টেম্বর সকালে হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল শুরু হলে মৌলভীবাজারের এসএমএস কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখে। বাসগুলো এখনো ছাড়েনি। তাই বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের বাসগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করুক। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।’
"আমরা চাই পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের বাসগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করুক। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।"
অপরদিকে, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এসএমএস বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম রিপন অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সমাধানের দিকে এগোচ্ছিল। এর মধ্যে হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের লোকজন শ্রীমঙ্গলে এসএমএস পরিবহনের কাউন্টারে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। এতে কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং একজন আইসিইউতে আছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলের শ্রমিকরাই বাসগুলো আটকে রেখেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলাও হয়েছে। বিষয়টির সমাধানে দুপক্ষকে নিয়ে বসতে হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, সিলেট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু মঈন চৌধুরী সোহেল, আব্দুর রহিম রিপন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি বাস, ৩টি বাস, ১২ জুন, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০ সেপ্টেম্বর, ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!