📌 হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে বাস আটক ও শ্রমিকদের নির্যাতনের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের পরিবহন শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটে জেলার সব যানবাহন মালিক-শ্রমিক সমিতি একাত্মতা দেখিয়েছে এবং যাত্রীদের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে
হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে বাস আটক ও শ্রমিকদের নির্যাতনের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের পরিবহন শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটের কারণে হবিগঞ্জের অভ্যন্তরীণ সড়কসহ দূরপাল্লার সব গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের ডাকে হবিগঞ্জের সব যানবাহন মালিক-শ্রমিক সমিতি ও নেতারা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছে
- 📌 হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় হবিগঞ্জের অভ্যন্তরীণ সড়কসহ সব গণপরিবহণ বন্ধ রয়েছে
- 📌 হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, শ্রমিকদের মারধর ও বাস আটক করার ঘটনাগুলো প্রতিবাদে ধর্মঘট ডাকা হয়েছে
- 📌 গত ২৪ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রেখেছে, যা এখনো ছাড়েনি
- 📌 মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এসএমএস বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম রিপন দাবি করেন, শ্রীমঙ্গলের শ্রমিকরা বাসগুলো আটকে রেখেছে এবং হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলাও হয়েছে
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের ডাকে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে বাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়েছে। হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের এসএমএস মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের ২২টি বাস আটকে রাখেন। পরে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বৈঠকে সমঝোতা হলেও, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের কর্তৃপক্ষ আবার তিনটি বাস আটকে রেখেছে।
সোহেল আরও বলেন, গত ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয় হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে আগের মতো বাস চলাচল করবে। তবে শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের বাসের কোনো স্টপেজ দিতে পারবে না। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচল করছিল। কিন্তু মৌলভীবাজারের কর্তৃপক্ষ বাস আটক করার ঘটনায় বাধ্য হয়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।
মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এসএমএস বাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম রিপন দাবি করেন, বিষয়টি সমাধানের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের লোকজন শ্রীমঙ্গলের শ্রমিকদের কাউন্টারে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। এতে কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং একজন আইসিইউতে আছেন। তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলের শ্রমিকরা বাসগুলো আটকে রেখেছেন এবং বিষয়টির সমাধানে দুইপক্ষকে নিয়ে বসতে হবে।
"দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট, শ্রীমঙ্গল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু মঈন চৌধুরী সোহেল (হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক), আব্দুর রহিম রিপন (মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এসএমএস বাস মালিক সমিতির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি বাস আটক, ২২টি বাস আগে আটক, ১২ জুন, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০ সেপ্টেম্বর, ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!