📌 নীলফামারীর ডোমার রেলস্টেশনের পাশে বসবাসকারী হরিজন সম্প্রদায়ের শিশুরা অবহেলা, উপহাস ও আলাদা প্লেট-গ্লাস নিয়ে যাওয়ার মতো কষ্টের জীবন যাপন করছে। স্কুলে সহপাঠীদের অবমাননা থেকে শুরু করে খেলাধুলায় বাদ দেওয়া পর্যন্ত তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছে শিশুরা
নীলফামারীর ডোমার রেলস্টেশনের পাশে বসবাসকারী হরিজন সম্প্রদায়ের শিশুরা অবহেলার কষ্ট নিয়ে বেড়ে উঠছে। খাবারের দোকানে আলাদা প্লেট-গ্লাস নিয়ে যাওয়ার মতো অবমাননার শিকার হতে হয় তাদের। স্কুলে সহপাঠীদের অবমাননা থেকে শুরু করে খেলাধুলায় বাদ দেওয়া পর্যন্ত তাদের জীবনে অবহেলার ছাপ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫ বছর বয়সী হৃদয়** বলেছেন, খাবারের দোকানে তাদের ঢুকতে দেয় না এবং আলাদা প্লেট-গ্লাস নিয়ে যেতে হয়: *“আমাদের অনেক সময় খাবারের দোকানে ঢুকতে দেয় না। সবার সঙ্গে বসে খেতেও পারি না। কোনো খাবারের দোকানে গেলে আমাদের আলাদা প্লেট-গ্লাস নিয়ে যেতে হয়।”*
- 📌 **১৩ বছর বয়সী সুজন** অভিযোগ করেছেন, স্কুলে সহপাঠীরা তাদের সঙ্গে বসতে চায় না: *“স্কুলে অনেকেই আমাদের সঙ্গে বসতে চায় না। পাশে বসলে বেঞ্চ থেকে উঠে যায়। এতে খুব খারাপ লাগে।”*
- 📌 **১২ বছর বয়সী রিয়ার** বলেছেন, খেলাধুলায় তাদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং রাস্তায় খারাপ কথা বলা হয়: *“আমরা খেলতে গেলে অনেক সময় অন্যরা দলে নেয় না। বলে, তোমরা আলাদা থাকো। তখন খুব একা লাগে। এ ছাড়া রাস্তায় চলার সময়ও অনেকে খারাপ কথা বলে।”*
- 📌 **প্রদীপ কুমার** বলেছেন, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষদের বহু বছর ধরে সমাজে অবহেলার শিকার হতে হয়: *“আমরা বহু বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। এখনও সমাজের অনেক মানুষ আমাদের নিচু চোখে দেখে। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় আমাদের শিশুরা।”*
- 📌 জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের **সহকারী পরিচালক নুসরাত ফাতেমা** বলেছেন, সমাজের সচেতনতা বাড়াতে হবে হরিজন শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে: *“সমাজের সবার সচেতনতা বাড়াতে হবে, যাতে হরিজন সম্প্রদায়সহ সব শিশুই নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।”*
📰 বিস্তারিত
নীলফামারীর ডোমার রেলস্টেশনের পাশে বসবাসকারী হরিজন সম্প্রদায়ের শিশুরা অবহেলার কষ্ট নিয়ে বেড়ে উঠছে। এই শিশুরা নানা সময় অবহেলা, উপহাস ও কটু কথার শিকার হয়। তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে জানা যায়, খাবারের দোকানে তাদের ঢুকতে দেয় না এবং আলাদা প্লেট-গ্লাস নিয়ে যেতে হয়। স্কুলে সহপাঠীরা তাদের সঙ্গে বসতে চায় না, পাশে বসলে বেঞ্চ থেকে উঠে যায়। খেলাধুলায় তাদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং রাস্তায় চলার সময় অনেকে খারাপ কথা বলে।
বয়োজ্যেষ্ঠ প্রদীপ কুমার বলেছেন, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষদের বহু বছর ধরে সমাজে অবহেলার শিকার হতে হয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, *“আমরা বহু বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। এখনও সমাজের অনেক মানুষ আমাদের নিচু চোখে দেখে। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় আমাদের শিশুরা।”*
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুসরাত ফাতেমা বলেছেন, সমাজের সচেতনতা বাড়াতে হবে হরিজন শিশুদের নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে বেড়ে উঠতে। তিনি বলেছেন, *“সমাজের সবার সচেতনতা বাড়াতে হবে, যাতে হরিজন সম্প্রদায়সহ সব শিশুই নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।”*
"আমাদের অনেক সময় খাবারের দোকানে ঢুকতে দেয় না। সবার সঙ্গে বসে খেতেও পারি না। কোনো খাবারের দোকানে গেলে আমাদের আলাদা প্লেট-গ্লাস নিয়ে যেতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারীর ডোমার রেলস্টেশনের পাশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হৃদয় (১৫), সুজন (১৩), রিয়ার (১২), প্রদীপ কুমার, নুসরাত ফাতেমা (সহকারী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫, ১৩, ১২ বছর বয়সী শিশুরা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!