📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কাঠের ক্রেন দিয়ে চা-বিস্কুট পরিবেশন: হাতেম আলীর উদ্ভাবনী কাঠমিস্ত্রি কাজ

কাঠের ক্রেন দিয়ে চা-বিস্কুট পরিবেশন: হাতেম আলীর উদ্ভাবনী কাঠমিস্ত্রি কাজ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার হাতেম আলী (৫২) নিজের তৈরি কাঠের ক্রেন দিয়ে চেয়ারে বসে চা ও পণ্য পরিবেশন করছেন। কর্মচারী খরচ কমাতে নিজেই এই যন্ত্র তৈরি করেছেন তিনি

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের পাশে অবস্থিত বারহা বোর্ডবাজারে একটি চায়ের দোকানে কাঠের ক্রেন দিয়ে চা ও পণ্য পরিবেশন করছেন মো. হাতেম আলী (৫২)। নিজের তৈরি এই বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে তিনি চেয়ারে বসে দোকানের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। ক্রেতারা এই উদ্ভাবনী যন্ত্রের নাম দিয়েছেন ‘ক্রেন’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাতেম আলী (৫২) নিজের তৈরি কাঠের ক্রেন দিয়ে চেয়ারে বসে চা ও পণ্য পরিবেশন করছেন নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বারহা বাজারে।
  • 📌 কাঠ, তার ও বিয়ারিং দিয়ে তৈরি এই ক্রেনে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
  • 📌 কর্মচারী খরচ কমাতে নিজেই এই ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাতেম আলী।
  • 📌 প্রায় তিন দশক ধরে চায়ের দোকান চালাচ্ছেন তিনি, মূল পেশা কাঠমিস্ত্রির কাজ।

📰 বিস্তারিত

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের পাশে জারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ-সংলগ্ন বারহা বোর্ডবাজারে অবস্থিত হাতেম আলীর দোকান। তিনি নিজের তৈরি কাঠের ক্রেনের হাতল ঘোরিয়ে চেয়ারে বসে দোকানের ভেতর ও বাইরের ক্রেতাদের কাছে চা ও অন্যান্য পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। ক্রেতাদের হাতে পণ্য তুলে দিতে বারবার আসন ছেড়ে যেতে হয় না তাঁকে।

হাতেম আলী বারহা উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। কাঠের কাজের পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে তিনি চায়ের দোকান চালাচ্ছেন। কর্মচারী রাখার খরচ কমাতে নিজেই এই ক্রেন তৈরি করেছেন তিনি।

হাতেম আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন কাজের লোক পাওয়া যায় না। একজন কর্মচারী রাখলেও বেতন ও খাওয়া মিলিয়ে মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ। তাই নিজেই একটা ব্যবস্থা করার কথা ভাবি। পরে ক্রেনটি তৈরি করি। এখন চেয়ারে বসেই হাতল ঘুরিয়ে দোকানের ভেতর ও বাইরের ক্রেতাদের কাছে চা ও অন্যান্য পণ্য পৌঁছে দিতে পারি।’

"এখন কাজের লোক পাওয়া যায় না। একজন কর্মচারী রাখলেও বেতন ও খাওয়া মিলিয়ে মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ। তাই নিজেই একটা ব্যবস্থা করার কথা ভাবি। পরে ক্রেনটি তৈরি করি। এখন চেয়ারে বসেই হাতল ঘুরিয়ে দোকানের ভেতর ও বাইরের ক্রেতাদের কাছে চা ও অন্যান্য পণ্য পৌঁছে দিতে পারি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা, শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়ক, বারহা বোর্ডবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হাতেম আলী (৫২), কর্মচারী, ক্রেতারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ বছর বয়স, সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা খরচ, মাসে ২০ হাজার টাকা খরচ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖