📌 হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেনের কার্যালয়ে অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে ১৫ জনেরও বেশি মানুষ সেবা পেয়েছেন। জন্মনিবন্ধন সংশোধন থেকে বরাদ্দ পাওয়ার মতো বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পেয়েছেন তারা
হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেনের কার্যালয়ে অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে ১৫ জনেরও বেশি মানুষ সেবা পেয়েছেন। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে প্রতিদিন এক থেকে দেড়শত মানুষ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান চায়। তবে ইউএনওর কার্যালয়ে এসে অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে সেবা পেয়েছেন অনেকেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৯ মাস বয়সী মুনতাহার** নামের জন্মনিবন্ধনে ভুল থাকায় তার মা **রুমা আক্তার** অনুমতি ছাড়াই ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে সমস্যা সমাধান পেয়েছেন।
- 📌 **মঙ্গলবার ১১টা** বেলায় রুমা আক্তার **হাজীগঞ্জ ইউএনও**র কার্যালয়ে গিয়ে অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে জন্মনিবন্ধন সংশোধনের জন্য সেবা পেয়েছেন।
- 📌 **১৫ জনেরও বেশি মানুষ** সেবাপ্রত্যাশী ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে **ভোগান্তি ছাড়াই** সেবা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে **মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা আহসান হাবিব**, **বৃদ্ধ মানিক**, **প্রবাসী আরিফ হোসেন** ও **আবুল খায়ের**।
- 📌 **সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা** পর্যন্ত ইউএনওর কার্যালয়ে অবস্থান করে **১৫ জনেরও বেশি সেবাপ্রত্যাশীর** কথা শুনেছেন এবং তাদের সমস্যার সমাধান করেছেন।
- 📌 **বিসিএস ৩৬ ব্যাচের কর্মকর্তা** মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেছেন, ‘জনগণের সেবাই প্রশাসনের কাজ। সেবাপ্রাপ্তি লোকজনের অধিকার। এটি দয়া বা অনুকম্পা নয়।’
📰 বিস্তারিত
হাজীগঞ্জ উপজেলার **কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের সিদলা গ্রাম** থেকে আসা **রুমা আক্তার** তার **১৯ মাস বয়সী মুনতাহার** নামের জন্মনিবন্ধনে ভুল থাকায় সেবা পাননি। পরে তিনি **মঙ্গলবার ১১টা** বেলায় অনুমতি ছাড়াই **হাজীগঞ্জ ইউএনও মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন**র কার্যালয়ে গিয়ে সমস্যা সমাধান পেয়েছেন। ইউএনও মনোযোগসহকারে তার সমস্যার কথা শুনে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে ফোন করে সমস্যা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। রুমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমি সরাসরি ঢুকছি। অনুমতি লাগে না। ইউএনও স্যার ইউনিয়ন পরিষদে ফোন করে আমার সমস্যাটি মিটিয়ে দিয়েছেন। আমি খুব খুশি।’
ইউএনওর কার্যালয়ে **সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা** পর্যন্ত অবস্থান করে অন্তত **১৫ জন সেবাপ্রত্যাশীর** কথা শুনেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে **মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা আহসান হাবিব** (আড়ুলী গ্রাম), **বৃদ্ধ মানিক** (বাকিলা এলাকা), **প্রবাসী আরিফ হোসেন** (রামপুরা), **আবুল খায়ের** এবং **মোস্তফা কামাল** (মধ্য বলাখাল)। তারা সবাই **ভোগান্তি ছাড়াই** সেবা পেয়েছেন। তাদের সমস্যা ছিল জন্মনিবন্ধন সংশোধন, আর্থিক সহযোগিতা, ওয়ারিশ সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের সংশোধন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্থ বরাদ্দ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দসহ বিভিন্ন বিষয়।
ইউএনওর কার্যালয়ের দরজায় লাল কালিতে লেখা ছিল ‘বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করুন। ধাক্কা দিন’। তবে সেবাপ্রত্যাশীরা অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে সেবা পেয়েছেন। ইউএনও বলেছেন, ‘জনগণের সেবাই প্রশাসনের কাজ। সেবাপ্রাপ্তি লোকজনের অধিকার। এটি দয়া বা অনুকম্পা নয়। মানবিক বিবেচনা ও দায়িত্ববোধ থেকে আমি কাজ করছি। প্রশাসক হিসেবে নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে পছন্দ করি।’
"আমি সরাসরি ঢুকছি। অনুমতি লাগে নাই। ইউএনও স্যার ইউনিয়ন পরিষদে ফোন কইরা আমার সমস্যাডা মিটাইয়া দিছেন। আমি খুব খুশি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাজীগঞ্জ উপজেলা, চাঁদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন (ইউএনও), রুমা আক্তার, মুনতাহার, মাওলানা আহসান হাবিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ মাস (মুনতাহারের বয়স), ১১টা (সময়), ৯টা-১২টা (কার্যালয়ের সময়), ১৫ জন (সেবাপ্রত্যাশী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!