📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গৌরীপুরের ঐতিহ্যবাহী নাট্যমঞ্চ ঝলমল সিনেমা হলে আগুনে পুড়ে যাওয়া ১৫-২০টি দোকানসহ পুরো এলাকা ধ্বংস

গৌরীপুরের ঐতিহ্যবাহী নাট্যমঞ্চ ঝলমল সিনেমা হলে আগুনে পুড়ে যাওয়া ১৫-২০টি দোকানসহ পুরো এলাকা ধ্বংস

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলে রাতে আগুন লাগায়। আগুনে সিনেমা হলসহ ১৫-২০টি দোকান পুড়ে যায়। আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডারের গোডাউনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভবনটি মূলত নাট্যমঞ্চ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলে আগুন লাগায়। এই আগুনে সিনেমা হলসহ আশপাশের ১৫ থেকে ২০টি দোকান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া এই ভবনটি মূলত একটি নাট্যমঞ্চ ছিল, যা গৌরীপুর রাজপরিবারের বীরেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী ১৯৩০-এর দশকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী স্টার থিয়েটারের আদলে নির্মিত এই নাট্যমঞ্চটি পরবর্তীতে সিনেমা হলে রূপান্তরিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গৌরীপুরের ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলে রাত সোয়া দুইটায় আগুন লাগায়, ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রায় এক ঘণ্টা পরে।
  • 📌 আগুনে সিনেমা হলসহ ১৫ থেকে ২০টি দোকান পুড়ে যায়, যার মধ্যে এলপিজি সিলিন্ডারের গোডাউন, ডেকোরেশন ও পুরোনো কাপড়ের দোকান অন্তর্ভুক্ত ছিল।
  • 📌 পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী (ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক) জানান, আগুনের সম্ভাব্য সূত্রপাত এলপিজি সিলিন্ডারের গোডাউন থেকে হতে পারে।
  • 📌 এই ভবনটি ১৯৩০-এর দশকে নাট্যমঞ্চ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলে সিনেমা হলে পরিণত হয়।
  • 📌 রায়হান উদ্দিন সরকার (গৌরীপুরের প্রত্নতত্ত্ব গবেষক) বলেন, এই ভবনটি হারানোর সাথে সাথে গৌরীপুরের নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হারিয়ে যাচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

গতকাল রাত সোয়া দুইটার দিকে ঝলমল সিনেমা হলে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুনে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, আগুনে সিনেমা হলের পাশাপাশি এলপিজি সিলিন্ডারের গোডাউন, ডেকোরেশন ও পুরোনো কাপড়ের দোকানসহ ১৫ থেকে ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডারের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্তের পর আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

গৌরীপুরের ঐতিহ্যবাহী এই ভবনটি মূলত একটি নাট্যমঞ্চ ছিল। গৌরীপুর রাজপরিবারের বীরেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী ১৯৩০-এর দশকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী স্টার থিয়েটারের আদলে নির্মিত এই নাট্যমঞ্চে পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে খ্যাতনামা শিল্পী ও গুণীজনেরা নাটক মঞ্চস্থ করেছেন। পাকিস্তান আমলে স্থাপনাটি সরকারের মালিকানায় যাওয়ার পর সেখানে চলচ্চিত্র প্রদর্শন শুরু হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্থাপনাটির নামও বদলেছে। প্রথমে ‘গিরি সিনেমা হল’, পরে ‘প্রতিমা সিনেমা হল’ এবং সর্বশেষ ‘ঝলমল সিনেমা হল’ নামে পরিচিতি পায় এটি।

গৌরীপুরে প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার কাজ করা রায়হান উদ্দিন সরকার বলেন, আগুনে ভবনটির ক্ষয়ক্ষতি শুধু একটি পুরোনো সিনেমা হল হারানোর ঘটনা নয়; এর সঙ্গে গৌরীপুরের নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও জড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই মঞ্চে ‘শাহজাহান’ নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে খ্যাতনামা শিল্পী ও গুণীজনেরা এসেছেন।

"আগুনে ভবনটির ক্ষয়ক্ষতি শুধু একটি পুরোনো সিনেমা হল হারানোর ঘটনা নয়; এর সঙ্গে গৌরীপুরের নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও জড়িয়ে আছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গৌরীপুর পৌর শহর, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীরেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী, রায়হান উদ্দিন সরকার, পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫-২০টি দোকান, ২ ঘণ্টা, ৩টা ৪০ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖