📌 বগুড়ার শেরপুরে করতোয়া নদীর গোসাঁইয়ের দহে একসময় দেশি মাছের বাসস্থান ছিল। এখন সেখানে কচুরিপানা জমে গেছে এবং মাছের কোনো সন্ধান নেই। স্থানীয়রা দহের বড় অংশ কচুরিপানায় ঢাকা দেখেছেন।
বগুড়ার শেরপুরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত গোসাঁইয়ের দহে একসময় দেশি মাছের বাসস্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে বোয়াল, আইড়, চিতল, রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সন্ধান পাওয়া যেত। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমেও নদীর গভীর জলাধারটি দূর থেকে চেনা যেত। স্থানীয়রা এটিকে ‘গোসাঁইয়ের দহ’ নামে ডাকত। তবে বর্তমানে সেখানে কচুরিপানা জমে গেছে এবং মাছের কোনো সন্ধান নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়ার শেরপুরের গোসাঁইপাড়ায় করতোয়া নদীর গোসাঁইয়ের দহে মাছের বাসস্থান হারিয়ে গেছে
- 📌 সেতুর পূর্ব পাশে ১০০ মিটার এবং পশ্চিম পাশে ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে দহের বড় অংশ কচুরিপানায় ঢাকা পড়েছে
- 📌 শুষ্ক মৌসুমেও নদীর গভীর জলাধারটি দূর থেকে চেনা যেত, কিন্তু এখন মাছের কোনো সন্ধান নেই
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার বিকেলে গোসাঁইপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, করতোয়া নদীর ওপর অবস্থিত সেতুর পূর্ব পাশে প্রায় ১০০ মিটার এবং পশ্চিম পাশ হয়ে উত্তর দিকে প্রায় ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে দহের বড় অংশ কচুরিপানায় ঢাকা পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, লম্বা বাঁশ পানিতে নামিয়ে দেখলেও মাটির সন্ধান পাওয়া যেত না। শুষ্ক মৌসুমেও নদীর বুকের সেই জলাধার দূর থেকেই আলাদা করে চেনা যেত। কিন্তু এখন সেখানে মাছের কোনো সন্ধান নেই।
গোসাঁইয়ের দহে একসময় বোয়াল, আইড়, চিতল, রুই, কাতলাসহ দেশি নানা প্রজাতির মাছের বাসস্থান ছিল। শুষ্ক মৌসুমেও নদীর বুকের সেই জলাধার দূর থেকেই আলাদা করে চেনা যেত। কিন্তু বর্তমানে সেখানে কচুরিপানা জমে গেছে এবং মাছের কোনো সন্ধান নেই।
"লম্বা বাঁশ পানিতে নামিয়েও মাটির সন্ধান পাওয়া যেত না। চারপাশের করতোয়া নদীর পানি শুকিয়ে গেলেও গভীর সেই জলাধারে সারা বছর পানি থাকত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোসাঁইপাড়া, শেরপুর, বগুড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় মানুষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ মিটার (পূর্ব পাশ), ২০০ মিটার (পশ্চিম পাশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!