📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় স্কুল শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার পর এক ৩৫ বছর বয়সী যুবককে তার আত্মীয়রা মারধর করে। ঘটনাস্থলে পরিবার তাকে উদ্ধার করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। শিক্ষিকা অভিযোগ করেন, ৬ মাস ধরে যুবক তাকে উত্ত্যক্ত করতেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় স্কুল শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার পর এক যুবককে তার আত্মীয়-স্বজন মারধরের শিকার করে। ঘটনাস্থলে পরিবার তাকে উদ্ধার করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রোববার (৪ অক্টোবর) কুশলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে, যেখানে ৩৫ বছর বয়সী কবির শেখের বিরুদ্ধে মারধর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় স্কুল শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার পর কবির শেখ (৩৫) মারধরের শিকার হন
- 📌 ৬ মাস ধরে শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে লিখিত অভিযোগ দেন শিক্ষিকা
- 📌 মারধরের পর চিকিৎসক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন
- 📌 কবির শেখের ভাতিজি জোসনা বেগম বলেন, ‘মারধর করা ঠিক হয়নি’
- 📌 কোটালীপাড়া থানার অফিসার (এসআই) সুকুমার কুণ্ডু বলেন, ‘অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে’
📰 বিস্তারিত
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা গ্রামে রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে কবির শেখ (৩৫) স্কুল শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার পর তার আত্মীয়-স্বজন তাকে মারধরের শিকার করে। ঘটনাস্থলে কবির শেখের পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
জানা গেছে, গত ৬ মাস ধরে কবির শেখ প্রায়ই স্কুলে যাওয়া আসার পথে ওই শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষিকা কবিরের পরিবারের কাছে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন শিক্ষিকা। ঘটনার দিন সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে কবির শেখ ওই শিক্ষিকার পথরোধ করলে তার আত্মীয়-স্বজন এগিয়ে এসে মারধর করে তাকে ফেলে রেখে যায়।
কবির শেখের ভাতিজি জোসনা বেগম বলেন, ‘আমার চাচার মাথায় একটু সমস্যা আছে। সে আগে অটো চালাতো। এই অটোতে যাওয়া-আসার সময় ওই শিক্ষিকার সাথে পরিচয় হয়। এরপর থেকে সে ওই শিক্ষিকাকে বিয়ে করার জন্য পাগলামি শুরু করে। তবে তাকে এভাবে মারধর করা ঠিক হয়নি।’
শিক্ষিকাও অভিযোগ করেন, ‘আমি স্কুলে যাওয়া-আসার পথে কবির প্রায়ই আমাকে উত্ত্যক্ত করত। পথরোধ করত। মাঝে মাঝে স্কুলে যাওয়ার পথে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিত। আমি সামাজিকভাবে এলাকাবাসীকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। ওর উত্ত্যক্তের কারণে অনেকসময় ভয়ে ছুটি নিতাম। উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিসে আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাইনি।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখর রঞ্জণ ভক্ত বলেন, ‘ওই শিক্ষিকা আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। এরপর ইউএনও স্যারকে নিয়ে কবির ও তার পরিবারের লোকজনদের ডেকে আনা হয়েছিল। তারা ওই শিক্ষিকাকে আর উত্ত্যক্ত করবে না বলে কথা দিয়েছিলেন।’
কোটালীপাড়া থানার অফিসার (এসআই) সুকুমার কুণ্ডু বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"আমি স্কুলে যাওয়া-আসার পথে কবির প্রায়ই আমাকে উত্ত্যক্ত করত। পথরোধ করত। মাঝে মাঝে স্কুলে যাওয়ার পথে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কোটালীপাড়া উপজেলা, গোপালগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কবির শেখ (৩৫), জোসনা বেগম, শিক্ষিকা, শেখর রঞ্জণ ভক্ত, সুকুমার কুণ্ডু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ বছর বয়স, ৬ মাস, ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!