📌 গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার খলিশাখালী গ্রামে মওলা ও গোরা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ১৭ জন আহত হয়েছেন। মওলা গ্রুপের হামলায় গোরা গ্রুপের ১৩ জন আহত হন, অন্যদিকে মওলা গ্রুপের ৪ জন আহত। সংঘর্ষে কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এলাকাবাসীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের ফলশ্রুতিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় সংঘর্ষে ১৭ জন আহত হন। খলিশাখালী গ্রামে মওলা গ্রুপ ও গোরা গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে একজনকে ঢাকায় এবং চারজনকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার খলিশাখালী গ্রামে মওলা ও গোরা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ১৭ জন আহত
- 📌 গোরা গ্রুপের প্রধান মুঠোফোনে জানান, শিশুদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর মওলা গ্রুপের লোকজন হামলা চালায়
- 📌 গোরা গ্রুপের ১৩ জন ও মওলা গ্রুপের ৪ জন আহত, মওলা গ্রুপের কোনো সদস্য বক্তব্য দিতে অস্বীকার
- 📌 কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান জানান, এখনো কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি
- 📌 আহতদের মধ্যে একজন ঢাকায় এবং চারজন গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
📰 বিস্তারিত
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার খলিশাখালী গ্রামে মওলা গ্রুপ ও গোরা গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের ফলশ্রুতিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় সংঘর্ষে ১৭ জন আহত হন। গোরা গ্রুপের প্রধান মুঠোফোনে জানান, বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে মওলা গ্রুপের সঙ্গে তাঁদের মতবিরোধ চলছিল। রাতে শিশুদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর মওলা গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গোরা গ্রুপের ১৩ জন ও মওলা গ্রুপের ৪ জন আহত হন।
সংঘর্ষের ঘটনায় কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে একজনকে ঢাকায় এবং চারজনকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়।
মওলা গ্রুপের কোনো সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সংঘর্ষের কারণ হিসেবে গোরা গ্রুপের প্রধান মুঠোফোনে বলেন, এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের ফলশ্রুতিতে এই সংঘর্ষ ঘটেছে।
"মওলা গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আমাদের পক্ষের ১৩ জন আহত হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খলিশাখালী গ্রাম, কাশিয়ানী উপজেলা, গোপালগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোরা গ্রুপের প্রধান (মুঠোফোন), ওসি মো. মাহফুজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন আহত, ১৩ জন গোরা গ্রুপের আহত, ৪ জন মওলা গ্রুপের আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!