📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোপালগঞ্জের সরকারি খাল দখল: ৩০ বছরের দখলদারদের উচ্ছেদে প্রশাসনের বিলম্বের প্রশ্ন উঠছে

গোপালগঞ্জের সরকারি খাল দখল: ৩০ বছরের দখলদারদের উচ্ছেদে প্রশাসনের বিলম্বের প্রশ্ন উঠছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংক ইউনিয়নে সরকারি খাল দখল করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ৩০ বছরের দখলদারদের উচ্ছেদে প্রশাসনের বিলম্বের কারণে গ্রামবাসীর মধ্যে হতাশা বাড়ছে

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংক ইউনিয়নের লোহারংক খালে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখল করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগে স্থানীয় ১২ জনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই সরকারি খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট করে নির্মিত বাড়িঘরগুলোতে দখলদাররা বসবাস করছেন। প্রশাসন খালটি শনাক্ত করলেও উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়নি, যা গ্রামবাসীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংক ইউনিয়নের লোহারংক খালে ৩০ বছরের দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 দখলকৃত খালের জায়গায় নির্মিত বাড়িঘরগুলোতে বসবাস করছেন মনির বিশ্বাস, সেলিম বিশ্বাস, বাবুল মোল্লা, ইমারত মোল্লা, আমজাদ মোল্লা, মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া, সেকেন্দার দাড়িয়া, আউয়াল দাড়িয়া, মানির দাড়িয়া, কাসেম দাড়িয়া, ইব্রাহিম দাড়িয়া, কিবরিয়া বিশ্বাস ও রতন দাসসহ ১২ জন
  • 📌 প্রশাসন খালটি শনাক্ত করে লাল নিশান টাঙিয়েছে, কিন্তু উচ্ছেদের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি
  • 📌 গ্রামবাসীর দাবি, খাল দখলমুক্ত না হওয়ায় বৃষ্টি হলেই গ্রামে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল-আরেফীন বলেছেন, জায়গা নির্ধারণের কাজ চলছে, পরবর্তীতে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে

📰 বিস্তারিত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংক ইউনিয়নের লোহারংক খালে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখল করে বাড়িঘর নির্মাণের অভিযোগে স্থানীয় ১২ জনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীর দাবি, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই সরকারি খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট করে সেখানে কাঁচা-পাকা ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন দখলদাররা।

সরকারি খাল দখলমুক্ত করার দাবিতে লোহারংক গ্রামের ফরিদ দাড়িয়াসহ শতাধিক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা খালটির জায়গা মেপে লাল নিশান টাঙিয়ে দিয়েছেন। তবে কয়েক দিন পার হলেও দখলমুক্ত করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে গ্রামবাসীদের মধ্যে হতাশা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন ফরিদ দাড়িয়া বলেছেন, ‘প্রায় ৩০ বছর ধরে লোহারংক খাল দখল করে এলাকার কিছু ব্যক্তি ঘরবাড়ি নির্মাণ করে আসছেন। খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলেই গ্রামে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ কারণে আমরা গ্রামবাসী মিলে খালটি দখলমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আবেদন করি। আবেদনের পর প্রশাসনের লোকজন খালটি মেপে শনাক্ত করে লাল নিশান গেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করা হয়নি।’

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া বলেছেন, ‘আমার দলিলের জায়গার ওপর দিয়ে গ্রামের লোকজন সরকারি রাস্তা নিয়েছে। এর বিনিময়ে আমাকে খালের জায়গা দেওয়া হয়েছে। এখন রাস্তার জায়গা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি খালের জায়গা ছেড়ে দেব।’ অন্যদিকে, মনির বিশ্বাস বলেছেন, ‘খালের জায়গা দখল করে আমি বাড়িঘর নির্মাণ করেছি। প্রশাসন থেকে আমাকে যখন বলা হবে, তখনই খালের জায়গা ছেড়ে দেব।’

"আমার দলিলের জায়গার ওপর দিয়ে গ্রামের লোকজন সরকারি রাস্তা নিয়েছে। এর বিনিময়ে আমাকে খালের জায়গা দেওয়া হয়েছে। এখন রাস্তার জায়গা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি খালের জায়গা ছেড়ে দেব।"

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফীন বলেছেন, ‘খালটি মেপে জায়গা নির্ধারণের কাজ এখনো চলছে। পরবর্তী সময়ে উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা, লোহারংক ইউনিয়ন, লোহারংক খাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরিদ দাড়িয়া, মনির বিশ্বাস, সেলিম বিশ্বাস, মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল-আরেফীন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (দখল), ১২ জন (অভিযুক্ত), ১ কিলোমিটার (খালের দৈর্ঘ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖