📌 গাজীপুরের টঙ্গীতে গ্লিমার ফ্যাশনস লিমিটেড কারখানায় মালামাল লুট ও গাড়িচালক অপহরণের ঘটনা ঘটে। ছয় দিন পরও মামলা না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান উদ্বিগ্ন। পুলিশ তদন্তের কথা জানিয়েছে
গাজীপুরের টঙ্গীতে গ্লিমার ফ্যাশনস লিমিটেড কারখানায় মালামাল লুট ও গাড়িচালককে অপহরণ ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার ছয় দিন পরও মামলা না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম উদ্বিগ্ন। পুলিশ তদন্তের কথা জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ অক্টোবর দুপুর ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিটের মধ্যে গ্লিমার ফ্যাশনস কারখানায় লুট ও অপহরণের ঘটনা ঘটে।
- 📌 পাঁচ লাখ টাকার কাপড়সহ মালামাল লুট করা হয় এবং গাড়িচালককে অপহরণ করে মারধর করা হয়।
- 📌 মো: লিয়াকত হোসেন (ডেপুটি ম্যানেজার) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, কিন্তু মামলা না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম।
- 📌 ওসি মাকসুদুল আলম বলেছেন, ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নুরুজ্জামান এর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি, তবে তদন্ত চলছে।
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রমাণাদি দিতে বলা হলেও মামলা না হওয়ায় প্রতিষ্ঠান উদ্বিগ্ন।
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন বিসিক শিল্প এলাকায় গ্লিমার ফ্যাশনস লিমিটেড কারখানায় বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিটের মধ্যে লুট ও অপহরণের ঘটনা ঘটে। কারখানার অভিযোগ অনুযায়ী, শাহিন, পিয়াস, ছোট শাহিন, মোরশেদ, ফারুক ও মাহিনসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজন অপরাধী কারখানায় প্রবেশ করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। তারা ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দেন এবং কারখানার সামনে থাকা কভারভ্যানে পাঁচ লাখ টাকার কাপড়সহ মালামাল লুট করে গাড়িচালককে নিয়ে যান। পরে চালককে মারধর করে আটকে রাখা হয়। অন্য একটি গাড়িতে কিছু মালামাল কারখানার সামনে রেখে যাওয়া হয়।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকারী মো: সোহেলকে মারধর ও অশালীন আচরণ করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার সময় কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। কারখানার সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধারণ হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ দিতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মামলা দিতে গেলে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামানের নাম পরিবর্তন করে অভিযোগ নিয়ে আসতে বলেছেন। আমরা কয়েকবার থানায় গেলেও মামলা করতে পারিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। মামলা না হওয়ায় আমরা নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন।’
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুল আলম বলেছেন, ‘ঘটনার সময় নুরুজ্জামান ঢাকার বাইরে ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তারপরও বিষয়টি তদন্ত করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চুরির মামলা করার বিষয়টি আমি বলিনি। তারা থানায় এসে মামলা করুক। সিসিটিভি ফুটেজে যাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
"আমরা মামলা দিতে গেলে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামানের নাম পরিবর্তন করে অভিযোগ নিয়ে আসতে বলেছেন। আমরা কয়েকবার থানায় গেলেও মামলা করতে পারিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের টঙ্গী, বিসিক শিল্প এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ইসলাম (চেয়ারম্যান), মো: লিয়াকত হোসেন (ডেপুটি ম্যানেজার), ওসি মাকসুদুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর, ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিট, পাঁচ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!