📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় দুর্বৃত্তরা সেচ পাম্পের সোলার প্যানেল ভাঙচুর ও তার কেটে দিয়েছে। এতে ২০ বিঘা জমির সেচ বন্ধ হয়ে গেছে, যা ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মালিক একতারুল ইসলাম দাবি করেছেন, ১১ লাখ টাকার পাম্প ও ৬ লাখ টাকার সোলার প্যানেল স্থাপনের পর এ ধরনের ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটেছে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় দুর্বৃত্তরা সেচ পাম্পের সোলার প্যানেল ভাঙচুর ও তার কেটে দিয়েছে, যা সেচ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। এতে প্রায় ২০ বিঘা জমির ধানসহ বিভিন্ন ফসলের সেচ বন্ধ হয়ে গেছে, যা কৃষকদের চরম ক্ষতির মুখে ফেলেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ঘটনাটি ঘটে, মঙ্গলবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় সোলার প্যানেলগুলো দেখা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেরপুর গাংনীতে দুর্বৃত্তরা সেচ পাম্পের তিনটি সোলার প্যানেলের প্লেট ভাঙচুর ও বাকি প্লেটগুলোর তার কেটে দিয়েছে
- 📌 ২০ বিঘা জমির সেচ বন্ধ হওয়ায় ধানসহ কলাই, পেঁয়াজ ও সবজির ক্ষতির আশঙ্কা
- 📌 সোলার প্যানেলের মালিক একতারুল ইসলামের ১১ লাখ টাকার পাম্প ও ৬ লাখ টাকার সোলার প্যানেল স্থাপনের পর এ ঘটনা ঘটেছে
- 📌 গত ১৩ অক্টোবরও একই উপজেলায় কৃষক কামাল উদ্দিনের তিনটি সোলার প্যানেলের প্লেট চুরি হয়েছিল
- 📌 গাংনী থানার ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রামনগর ও বালিয়াঘাট মাঠে সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা সেচ পাম্পের সোলার প্যানেল ভাঙচুর ও তার কেটে দিয়েছে। সেচ পাম্পের মালিক মো. একতারুল ইসলামের তিনটি প্যানেলের প্লেট ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। বাকি প্লেটগুলোর সব তার কেটে দেওয়ায় সেচ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ বিঘা জমির ধানসহ কলাই, পেঁয়াজ ও বিভিন্ন সবজির সেচ বন্ধ হয়ে গেছে, যা কৃষকদের জন্য চরম ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একতারুল ইসলাম বলেছেন, ‘গত বছর আমি পাম্প ও সোলার প্যানেল স্থাপন করেছি। পাম্প বসাতে ১১ লাখ টাকা এবং সোলার প্যানেল স্থাপনে ছয় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। সকালে এসে দেখি, তিনটি প্লেট একেবারে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বাকি প্লেটগুলোর সব তার কেটে দিয়েছে। এতে আমার কত টাকা খরচ হবে, তা-ও জানি না। যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে ওঠা আমার জন্য কঠিন। এখন সোলার প্যানেল ঠিক করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’
কৃষক মো. শান্ত ইসলাম জানান, ‘ধানের ভরা মৌসুমে সেচ দিতে না পারলে ধানে চিটা পড়বে এবং ফলন কমে যাবে। অন্যান্য ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ আরেক কৃষক মো. জিনারুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে এসে তিনটি সোলার প্যানেলের প্লেট ভাঙা এবং অন্য প্লেটগুলোর তার কাটা দেখতে পেয়েছি। এতে সেচ বন্ধ রয়েছে। দ্রুত সোলার প্যানেল মেরামত করা না গেলে কৃষকেরা চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন।’
"আমরা বিষয়টি জেনেছি। খোঁজখবর নিচ্ছি। এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।"
— গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর; রামনগর ও বালিয়াঘাট মাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. একতারুল ইসলাম (সেচ পাম্পের মালিক), মো. শান্ত ইসলাম, মো. জিনারুল ইসলাম (কৃষক), মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বিঘা জমি, ১১ লাখ টাকা (পাম্প), ৬ লাখ টাকা (সোলার প্যানেল), ২০ হাজার টাকা (প্রতি প্যানেলের প্লেট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!