📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আত্মহত্যা করে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী ও পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আত্মহত্যা করে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী ও পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ৩২ বছর বয়সী গৃহবধূ আয়শা সিদ্দিকা জ্যোতি আত্মহত্যা করে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবার অভিযোগ করে, বিয়ের পর থেকে নির্যাতন ও অর্থ চাপের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়েছে

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিয়ের পর থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে ৩২ বছর বয়সী গৃহবধূ আয়শা সিদ্দিকা জ্যোতি আত্মহত্যা করে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে পাকুড়িয়া শরীফ এলাকার বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জ্যোতির পরিবার অভিযোগ করেছে, স্বামী শহিদুল ইসলাম লেবু ও তার পরিবার তাকে অর্থ চাপ এবং মারধর করে আত্মহত্যার দিকে ধাক্কা দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩২ বছর বয়সী আয়শা সিদ্দিকা জ্যোতি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পাকুড়িয়া শরীফ এলাকায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়
  • 📌 জ্যোতি সাত বছর আগে বিয়ে করলেও স্বামী ও পরিবার তাকে মারধর ও অর্থ চাপ দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ
  • 📌 ২২ লাখ টাকা দাবি করে জ্যোতিকে চাপ দেওয়া হয়, টাকা না দিলে নির্যাতন বেড়ে যায়
  • 📌 মরদেহ উদ্ধার করার পর স্বামী শহিদুলসহ পরিবার বাড়ি ছেড়ে চলে যায়
  • 📌 পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

আয়শা সিদ্দিকা জ্যোতি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের উত্তর পানাপুকুর ওকরাবাড়ি এলাকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জয়নাল আবেদীনের মেয়ে। সাত বছর আগে পাকুড়িয়া শরীফ এলাকার মৃত জহুরুল হকের ছেলে শহিদুল ইসলাম লেবুকে বিয়ে করেন জ্যোতি। শহিদুল লালচাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

জ্যোতির পরিবার জানায়, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তার পরিবার তাকে মারধর ও অর্থ চাপ দিচ্ছিলেন। প্রথম দিকে কোনো দাবি না থাকলেও পরে মোটরসাইকেল ও বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতো। জ্যোতির বাবা জয়নাল আবেদীন অবসর নেওয়ার পর রংপুর শহরে জমি কেনার কথা বলে ২২ লাখ টাকা দাবি করেন শহিদুল। প্রায় দেড় মাস ধরে টাকা এনে দেওয়ার জন্য জ্যোতিকে চাপ দেওয়া হতো। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর নির্যাতন বেড়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ।

জ্যোতির ছোট ভাই জাহিদ বলেন, ‘আমার বোন আত্মহত্যা করার মানুষ নয়। অনেক কষ্ট সহ্য করেও সে ওই বাড়িতেই থাকত। কিছুদিন আগে শহরে জমি কেনার কথা বলে ২২ লাখ টাকা চাওয়া হয়। আমাদের বিশ্বাস, আমার বোনকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম জানান, সকালে শহিদুল স্থানীয় লোকজনকে তাঁর স্ত্রী ফাঁসিতে ঝুলে মারা যাওয়ার কথা জানান। পরে লোকজন গিয়ে জ্যোতির মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে মরদেহ নামিয়ে নেয়। ঘটনার পর স্বামী শহিদুলসহ তাঁর পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে চলে যান বলে জানানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিয়ের পর থেকে জ্যোতিকে মারধর করা হতো বলে তাঁরা শুনেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাঁরা নিশ্চিত নন। শহিদুলের অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কি না, তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা রয়েছে, তবে এ বিষয়ে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

"আমার বোন আত্মহত্যা করার মানুষ নয়। অনেক কষ্ট সহ্য করেও সে ওই বাড়িতেই থাকত। কিছুদিন আগে শহরে জমি কেনার কথা বলে ২২ লাখ টাকা চাওয়া হয়। আমাদের বিশ্বাস, আমার বোনকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।"

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মামলা করা হলে আইনিভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে পুলিশ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা, পাকুড়িয়া শরীফ এলাকা, বড়বিল ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়শা সিদ্দিকা জ্যোতি (৩২), জয়নাল আবেদীন, শহিদুল ইসলাম লেবু, জাহিদ, আনোয়ারা বেগম, ওসি আব্দুস ছবুর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ বছর বয়স, ২২ লাখ টাকা, ১ মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖