📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরের স্কুলে শিক্ষকের মারধর: অভিভাবককে কানে থাপ্পড়, অণ্ডকোষে লাথি ও ফোন ভাঙা

গাজীপুরের স্কুলে শিক্ষকের মারধর: অভিভাবককে কানে থাপ্পড়, অণ্ডকোষে লাথি ও ফোন ভাঙা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাসেল অভিভাবককে মারধর, কানে থাপ্পড় দিয়ে রক্তাক্ত করা এবং ৩৪ হাজার টাকার ফোন ভাঙার অভিযোগে অভিযুক্ত। ভুক্তভোগী শান্ত নুর অভিযোগ করেছেন, প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটেছে এবং সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাসেলের বিরুদ্ধে অভিভাবককে মারধর, কানে জোরে থাপ্পড় দিয়ে রক্তপাত ঘটানো, অণ্ডকোষে লাথি মারা এবং ৩৪ হাজার টাকার স্মার্টফোন ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শান্ত নুরের বোনকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকের মারধরের শিকার হওয়ার ঘটনাটি রোববার (১১ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), শ্রীপুর মডেল থানা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শান্ত নুর অভিযোগ করেছেন, সহকারী শিক্ষক রাসেল তাঁকে মারধর করে কানে থাপ্পড় দিয়ে রক্তপাত ঘটিয়েছেন এবং অণ্ডকোষে লাথি মারা হয়েছে।
  • 📌 ৩৪ হাজার টাকার স্মার্টফোন ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলামর উপস্থিতিতে ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে।
  • 📌 গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে শিক্ষার্থী কারিমা আক্তারকে অভিভাবকসহ বিদ্যালয়ে ডাকার পর ঘটনাটি ঘটেছে।
  • 📌 শান্ত নুর বলেছেন, তাঁর বাবা চট্টগ্রামে সরকারি চাকরি করছেন এবং মা অসুস্থ। এ কারণে বোনকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
  • 📌 শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ‘অভিভাবককে মারধর করার কোনো সুযোগ নেই। বিদ্যালয় থেকে ফোন করে বোনকে নিয়ে যাওয়ার পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে।’
  • 📌 শ্রীপুর মডেল থানার ওসি শাহীনুর আলম বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাসেলের বিরুদ্ধে অভিভাবককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শান্ত নুরের বোনকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকের মারধরের শিকার হওয়ার ঘটনাটি রোববার (১১ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), শ্রীপুর মডেল থানা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে। শান্ত নুরের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী কারিমা আক্তারকে অভিভাবকসহ বিদ্যালয়ে ডাকার পর ঘটনাটি ঘটেছে।

শান্ত নুর বলেন, “আমি বড় ভাই হিসেবে বোনকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে গিয়ে বোনকে ডাকার কারণ জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক রাসেলের সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি আমাকে মারধর করেন। মারধরের সময় তাঁর ডান কানে জোরে থাপ্পড় মারা হলে রক্তপাত হয়। এতে আমি কানে কম শুনছি। এ ছাড়া চোখে ঘুষি, অণ্ডকোষে লাথি এবং হাতে থাকা স্মার্টফোন ভাঙচুর করা হয়। প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার দৃশ্য ধারণ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।”

শান্ত নুরের বাবা চট্টগ্রামে সরকারি চাকরি করেন এবং মা অসুস্থ। এ কারণে বড় ভাই হিসেবে বোনকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডেকে তাঁকেসহ সঙ্গে থাকা আরেকজনকে মারধর করা হয় বলেও দাবি করেন শান্ত নুর।

অভিযুক্ত শিক্ষক রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। টেপিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টিএম জহিরুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবারের। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছেন। আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি।”

শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ভুক্তভোগীর ছোট বোন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় থেকে ফোন করে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষককে ফোন দিয়েছিলাম। একজন অভিভাবককে মারধর করার কোনো সুযোগ নেই।’

শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর রোববার বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম ভূঞা বলেন, “স্কুলে গিয়ে মারধরের শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

"আমি বড় ভাই হিসেবে বোনকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে গিয়ে বোনকে ডাকার কারণ জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক রাসেলের সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি আমাকে মারধর করেন। মারধরের সময় তাঁর ডান কানে জোরে থাপ্পড় মারা হলে রক্তপাত হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টেপিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীপুর উপজেলা, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শান্ত নুর, সহকারী শিক্ষক রাসেল, প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, শ্রীপুর মডেল থানার ওসি শাহীনুর আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ হাজার টাকা (ফোনের মূল্য), ১১ অক্টোবর (অভিযোগের তারিখ), ৮ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖