📌 গাজীপুরে শুক্রবার ভোরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডে এক পরিবারের ৪ সদস্য দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে ২৫ বছর বয়সী সেলিনা আক্তার ৪০% দগ্ধ হন। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রয়েছে
গাজীপুরে শুক্রবার ভোরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডে এক পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের মধ্যে ২৫ বছর বয়সী সেলিনা আক্তার সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হন। আগুন শুরু হয় সোফা থেকে এবং কাঠের সিলিং, মোটরসাইকেল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শুক্রবার ভোরে গাজীপুরে এক বাসায় অগ্নিকাণ্ডে ৪ সদস্য দগ্ধ হন — মা (৩০), বাবা (৩০), ছেলে (৪), মেয়ে (৫)
- 📌 সেলিনা আক্তার (২৫) সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত: ৪০% দগ্ধ, সায়ান (৫) ১২%, সোহাদ (৪) ২%, মলসিন (৩০) ১%
- 📌 আগুন শুরু হয় সোফা থেকে, পরে সিলিং ও বারান্দার মোটরসাইকেলে ছড়িয়ে পড়ে
- 📌 প্রথমে শহীদ তাজউদ্দীন হাসপাতালে চিকিৎসা পান, পরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত হন
- 📌 অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো পরিষ্কার নয়, তদন্ত চলছে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের একটি বাসায় শুক্রবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডে চার সদস্য দগ্ধ হন। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে সোফায় আগুন দেখতে পান। পরে আগুন কাঠের তৈরি সিলিংয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং বারান্দায় রাখা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন লাগে। একপর্যায়ে পুরো বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দগ্ধদের মধ্যে ৩০ বছর বয়সী মলসিন প্রধান, ২৫ বছর বয়সী সেলিনা আক্তার, ৪ বছর বয়সী সোহাদ এবং ৫ বছর বয়সী সায়ান।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা: সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, সেলিনা আক্তার ৪০% দগ্ধ হন, সায়ান ১২%, সোহাদ ২% এবং মলসিন ১% দগ্ধ হন। বর্তমানে মা ও বড় ছেলে ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন, অন্য দুজন পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তদন্ত চলছে। দগ্ধদের প্রথমে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত করা হয়।
"সেলিনা আক্তার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, অন্যরা কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পর্যবেক্ষণে থাকা উচিত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের একটি বাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মলসিন প্রধান (৩০), সেলিনা আক্তার (২৫), সোহাদ (৪), সায়ান (৫), ডা: সুলতান মাহমুদ শিকদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন দগ্ধ, ৪০% (সেলিনা), ১২% (সায়ান), ২% (সোহাদ), ১% (মলসিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!