📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯ বছর ধরে মৃতের তালিকায় ফেলে রাখা জীবন: গাজীপুরের বয়স্কের লড়াই জীবন-মৃত্যুর সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়

৯ বছর ধরে মৃতের তালিকায় ফেলে রাখা জীবন: গাজীপুরের বয়স্কের লড়াই জীবন-মৃত্যুর সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের শ্রীপুরের ৭০ বছরের আবুল কাশেম ২০১৪ সাল থেকে মৃতের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে ৯ বছর ধরে প্রশাসনিক দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দাপ্তরিক ভুলের কারণে বয়স্ক ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন তিনি। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজে দম্পতিসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক

গাজীপুরের শ্রীপুরের ৭০ বছরের বয়স্ক ব্যক্তি মো. আবুল কাশেম ২০১৪ সাল থেকে মৃতের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে ৯ বছর ধরে প্রশাসনিক দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দাপ্তরিক ভুলের কারণে বয়স্ক ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন তিনি। পরিবার ও প্রতিবেশীরা দাবি করছেন, কাগজপত্রে তাকে ‘জীবিত’ করার জোর দাবি জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ বছর ধরে মৃতের তালিকায়: গাজীপুরের শ্রীপুরের ৭০ বছরের আবুল কাশেম ২০১৪ সাল থেকে মৃতের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে প্রশাসনিক দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
  • 📌 দাপ্তরিক ভুলের শিকার: ২০১৭ সালে বয়স্ক ভাতা পেতে গিয়ে জানতে পারেন তিনি মৃতের তালিকায়। বরিশালের বাবুগঞ্জে মাইগ্রেশন করার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।
  • 📌 পরিবার ও প্রতিবেশীরা দাবি: পরিবার ও প্রতিবেশীরা দাবি করছেন, দাপ্তরিক ভুলের কারণে আর যাতে কোনো জীবিত মানুষকে মৃতের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে হয়রানি করা না হয়।
  • 📌 গ্যাস লিকেজে দগ্ধ চারজন: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্যাস লাইনের লিকেজে দম্পতিসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার লোহাগাছ গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কাশেমের বাবা মৃত মাঈন উদ্দিন। তিনি জন্মসূত্রে ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং পৈতৃক নিবাসও এই গ্রামে। তবে, ২০১৭ সালে বয়স্ক ভাতা পেতে গিয়ে জানতে পারেন তিনি মৃতের তালিকায়। নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জানান, ২০১৪ সালে তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জে মাইগ্রেশন করার পর সেখানেই মারা গেছেন। সেই ভিত্তিতে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং ভোটার আইডি কার্ডও কেটে ফেলা হয়।

আবুল কাশেম বলেন, ‘কয়ডা ট্যাহা বয়স্ক ভাতা পাইতাম। হেইডাও বন্ধ কইরা দিছে। আমি বলে মইরা গেছি। বাইচ্চা থাকতেও আমাকে মাইরাইলসে—কেমনে মাইন্না লই। মেম্বার চেয়ারম্যানের পিছে ঘুরতে ঘুরতে জুতার তলি ছিড়া গেছে। আর কবে জ্যাতা হইমু।’

স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম। উনি সবসময়ই আমাদের চোখের সামনে আছেন। আজও একসঙ্গে চা খেয়েছি। কয়েক বছর আগে শুনলাম তিনি নাকি মরে গেছেন। আমরা কবর দিলাম না, জানাজা দিলাম না তাহলে মরলেন কীভাবে?’

আমির হোসেন বলেন, ‘উনাকে দীর্ঘদিন ধরেই চিনি। অত্যন্ত ভালো মানুষ। উপজেলা নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে আবুল কাশেমকে জীবিত করে ভোটার তালিকায় আবার নাম অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি করছি।’

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তামান্না রশিদ বলেন, ‘আমি এ উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আগে কয়দিন আসছেন, সেটা আমি জানি না। আজকে ওনার কাগজপত্র বিবেচনা করে বুঝতে পারছি উনি মাইগ্রেশন করে বাবুগঞ্জ চলে যাওয়ার পর সেখানেই তিনি মারা গেছেন মর্মে উল্লেখ রয়েছে। সেই উপজেলায় গিয়ে আইডি কার্ডে সংশোধন করতে হবে। সেখানে যোগাযোগ করলে সমাধান হবে।’

গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগী ব্যক্তি জেলা অফিসে আসলে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এখান থেকে সমাধান করা গেলে আমরা করে দেব। আর না হলে কিভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশোধন করা যাবে, সে পরামর্শ দেওয়া হবে।’

অপরদিকে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাস লাইনের লিকেজে বিস্ফোরণ ঘটে। গতকাল শনিবার রাত দেড়টায় শাহ আলম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ চারজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

"আমি বলে মইরা গেছি। বাইচ্চা থাকতেও আমাকে মাইরাইলসে—কেমনে মাইন্না লই। মেম্বার চেয়ারম্যানের পিছে ঘুরতে ঘুরতে জুতার তলি ছিড়া গেছে। আর কবে জ্যাতা হইমু।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর (শ্রীপুর উপজেলা), নারায়ণগঞ্জ (সোনারগাঁও)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবুল কাশেম, মনির হোসেন, আমির হোসেন, তামান্না রশিদ, মো. মিজানুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর (মৃতের তালিকায়), ৩ নম্বর ওয়ার্ড, ৭০ বছর (আবুল কাশেমের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖