📌 গাজীপুর শ্রীপুরে বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর থেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ২৮ ঘণ্টা পরও মামলা হয়নি। পুলিশ আহত ব্যক্তির খোঁজে এবং পথ পরিবর্তনের কারণ তদন্ত করছে। ঘটনায় দুর্বৃত্তরা গুলি করে টাকা নিয়ে পালায়
গাজীপুর শ্রীপুরে বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর থেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ২৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। ঘটনাস্থলে গুলি করে টাকা নিয়ে পালানোর ঘটনায় পুলিশ আহত ব্যক্তির খোঁজে এবং পথ পরিবর্তনের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর শ্রীপুরের কর্ণপুর এলাকায় বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর থেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়
- 📌 ঘটনায় দুর্বৃত্তরা গাড়ির পেছনে রাখা তিনটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে দুটি নিয়ে পালায়
- 📌 ২৮ ঘণ্টা পরও মামলা হয়নি, পুলিশ আহত ব্যক্তির খোঁজে এবং পথ পরিবর্তনের কারণ তদন্ত করছে
- 📌 ঘটনায় গাড়িচালক ও ডিস্ট্রিবিউটরের প্রতিনিধিরা পুলিশকে সহায়তা করছেন
- 📌 পুলিশ সুপার বলেছেন, ডিস্ট্রিবিউটর কর্তৃপক্ষের পথ পরিবর্তনের কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শ্রীপুর-গোসিঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের কর্ণপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর ‘ভালুকা চ্যানেল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড শ্রীপুর’-এর ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ব্যাংক বন্ধ থাকায় এবং তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার চাপে টাকার সংকটে পড়েন। এ কারণে বিকাশের ব্যালেন্স দিয়ে নরসিংদী সদরের ডিস্ট্রিবিউটর হযরত আলী মুন্সীকে নগদ টাকা সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রাইভেট কারে করে ওই টাকা মাওনা চৌরাস্তার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
গাড়িটি কর্ণপুর এলাকায় পৌঁছালে কয়েকটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা পথরোধ করে। তারা পিস্তল বের করে অ্যাকাউন্টস ম্যানেজারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে গাড়ির পেছনে রাখা তিনটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে দুটি নিয়ে পালিয়ে যায়। প্রথমে প্রায় চার কোটি টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে ধারণা করা হয়েছিল, কিন্তু গাড়িতে রেখে যাওয়া বস্তার টাকা গুনে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা পাওয়া যায়। ফলে দুটি বস্তায় থাকা প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা খোয়া গেছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিস্ট্রিবিউটর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা খোয়া গেছে। এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। তবে ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটরের মালিকপক্ষের সাথে কথা বলেছি, ওনাদেরও কিছু বিষয় জানার আছে। তারা এই রাস্তায় আসার কথা ছিল না, সদরের রাস্তায় যাওয়ার কথা ছিল। কাপাসিয়া থেকে ফরোয়ার্ড রাস্তা দিয়ে যেতে পারতো।’
"আমি জানি তারা ওই রাস্তা দিয়েই যাবে, এখান দিয়ে কেন আসল?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর শ্রীপুরের কর্ণপুর এলাকা, শ্রীপুর-গোসিঙ্গা আঞ্চলিক সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাফিজুর রহমান (ব্যবস্থাপক), মো. শফিকুল ইসলাম (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ঘণ্টা (মামলা না হওয়ার সময়), ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা (ছিনতাই করা টাকা), ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা (গাড়িতে রেখে যাওয়া টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!