📌 গাইবান্ধা জেলায় ব্রহ্মপুত্র নদীর মাছ ও জলজ সম্পদ রক্ষায় জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্ধুসভার সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈদ্যুতিক জাল ও চীনা জালের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়
গাইবান্ধা জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর মাছ ও জলজ সম্পদ রক্ষায় জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে মাছ শিকার এবং চীনা জালের ব্যবহারের কারণে নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে জেলেদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ২২ অক্টোবর বিকেলে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের গোঘাট এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২২ অক্টোবর** গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের গোঘাটে বন্ধুসভার সভায় জেলেদের সঙ্গে বৈদ্যুতিক মাছ শিকার ও চীনা জালের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।
- 📌 **বৈদ্যুতিক জাল ও চীনা জালের** ব্যবহার মাছের পোনা ও ছোট মাছের ক্ষতি করে, যা মৎস্যসম্পদের বংশবিস্তারকে হুমকির মুখে ফেলছে।
- 📌 **গাইবান্ধা বন্ধুসভার সভাপতি মেহেদী হাসান** বলেন, নদীর মাছ ও জলজ সম্পদ রক্ষায় জেলেদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ ও কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
- 📌 **সভায় উপস্থিত** ছিলেন পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক তাওহিদা খন্দকার, লেখক ও শিক্ষক রঞ্জু খন্দকার, সামাজিক উন্নয়ন পদক্ষেপ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এম সাদ্দাম হোসেন ও প্রথম আলোর প্রতিনিধি শাহাবুল শাহীন।
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা বন্ধুসভার সভায় জেলেদের সঙ্গে আলোচনা করা হয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও অবৈধ মাছ আহরণ বন্ধের বিষয়ে। বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে মাছ শিকার এবং চীনা জালের ব্যবহার নদীর মাছের পোনা ও ছোট মাছের ক্ষতি করে, যা মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনাকে বাধাগ্রস্ত করে। বক্তারা বলেন, নদী শুধু মাছের উৎস নয়, বরং জেলেদের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন।
গাইবান্ধা বন্ধুসভার সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, ‘নদ-নদী ও জলজ সম্পদ আমাদের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য। বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে মাছ শিকার এবং চীনা জাল ব্যবহারের মতো ক্ষতিকর পদ্ধতি নদীর মাছ ও পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। মাছের প্রজনন মৌসুমে আইন মেনে চলা এবং অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক তাওহিদা খন্দকার, লেখক ও শিক্ষক রঞ্জু খন্দকার, সামাজিক উন্নয়ন পদক্ষেপ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এম সাদ্দাম হোসেন এবং প্রথম আলোর প্রতিনিধি শাহাবুল শাহীন। তারা মৎস্য আইন মেনে চলা, ক্ষতিকর জালের ব্যবহার বন্ধ এবং নদীদূষণ রোধে জেলেদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সচেতন হতে বলেন।
"নদ-নদী ও জলজ সম্পদ আমাদের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য এবং জেলেদের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে মাছ শিকার এবং চীনা জাল ব্যবহারের মতো ক্ষতিকর পদ্ধতি নদীর মাছ ও জলজ পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা সদর উপজেলা, কামারজানি ইউনিয়ন, গোঘাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান (গাইবান্ধা বন্ধুসভার সভাপতি), তাওহিদা খন্দকার, রঞ্জু খন্দকার, এম সাদ্দাম হোসেন, শাহাবুল শাহীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!