📌 গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সম্পত্তি ভাগের বিবাদে বাবার লাশ দাফনে সম্মতি দেন মেয়ে হালিমা। ভাইয়ের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে তিনি জানাজা ও দাফনে অনুমতি দেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় সমাধান হয়।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ার কারণে বাবার জানাজায় বাধা দেন মেয়ে হালিমা বেওয়া। কিন্তু অবশেষে তিনি ভাইয়ের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার লাশ দাফনে সম্মতি দেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. রওশন আক্তার সোমবার রাত ১০টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫০ বছর বয়সী মেয়ে হালিমা বেওয়া সম্পত্তি ভাগের দাবিতে বাবার জানাজায় বাধা দেন।
- 📌 ভাই ইদ্রিস আলী দেড় লাখ টাকার চেক বুঝিয়ে দেন মেয়েকে, যার ফলে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 সকাল ১০টায় নির্ধারিত সময়ে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বাধার কারণে তা বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়।
- 📌 ধাপেরহাট তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক এস্তেখার হাসান জানান, পুলিশের সহায়তায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে।
- 📌 সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি ডাক্তারের প্রাইভেট ফি নির্ধারণের দাবিতে ৮টি দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বাবার লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে মেয়ে হালিমা বেওয়া (৫০) বাবার জানাজায় বাধা দেন। নির্ধারিত সময় সকাল ১০টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা আটকে যায়। বাবার মরদেহ দীর্ঘ সময় বাড়ির উঠানে পড়ে থাকার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা হয়।
সমঝোতা অনুযায়ী, ভাই ইদ্রিস আলী মেয়ের হালিমা বেগমকে দেড় লাখ টাকার একটি চেক সই করে দেন। এরপর জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হয়। ধাপেরহাট তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক এস্তেখার হাসান জানান, ওই ঘটনায় তদন্তকেন্দ্র থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টির সমাধান হয়েছে।
ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. রওশন আক্তার বলেন, হালিমা বেওয়া দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার জানাজা ও লাশ দাফনে অনুমতি দিয়েছেন। বিবাদের মীমাংসা হয়েছে এবং বাবার মরদেহ সন্ধ্যার আগে দাফন করা হয়েছে।
"হালিমা বেওয়া দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার জানাজা ও লাশ দাফনে সম্মতি দিয়েছেন। বিবাদের মীমাংসা হয়েছে, মরদেহ দাফন হয়েছে।"
এই ঘটনার পাশাপাশি, সিলেটে সরকারি ডাক্তারদের প্রাইভেট ফি ২০০ টাকা ও বেসরকারি ডাক্তারদের প্রাইভেট ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণের দাবিসহ ৮টি দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হালিমা বেওয়া (৫০), ইদ্রিস আলী, মোছা. রওশন আক্তার, এস্তেখার হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ টা (সকাল), ৫ টা (বিকেল), ২০০ টাকা, ৩০০ টাকা, ৮টি দাবি, ৫০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!