📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধার ডিলার কৃষকদের সার বিক্রি বন্ধ করে ভুট্টার বীজ কেনার বাধ্য করছেন: অভিযোগ

গাইবান্ধার ডিলার কৃষকদের সার বিক্রি বন্ধ করে ভুট্টার বীজ কেনার বাধ্য করছেন: অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বিএডিসি ডিলার মো. খায়রুল ইসলাম কৃষকদের সার বিক্রি করার শর্ত হিসেবে ভুট্টার বীজ কেনার বাধ্য করছেন। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে কৃষি অফিসে, তদন্ত চলছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিএডিসি সার ডিলার মো. খায়রুল ইসলাম কৃষকদের সার বিক্রি করার শর্ত হিসেবে ভুট্টার বীজ কেনার বাধ্য করছেন। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন তিনি। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সার পেতে ভুট্টার বীজ কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বিএডিসি ডিলার মো. খায়রুল ইসলাম কৃষকদের সার বিক্রি করার শর্ত হিসেবে ভুট্টার বীজ কেনার বাধ্য করছেন
  • 📌 স্বামী-স্ত্রী দুজনেই সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে দুটি ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন — একটি নিজের নামে, অন্যটি স্ত্রীর নামে
  • 📌 স্থানীয় কৃষক মো. বাবুল মণ্ডল (৫০) বলেন, সার নিতে গেলে ডিলার বলেছেন, ‘৪ প্যাকেট ভুট্টার বীজ কিনতে হবে’
  • 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, অভিযোগ তদন্তে কর্মকর্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 অভিযোগ অস্বীকার করে খায়রুল ইসলাম বলেছেন, ‘কৃষক আমার ঘরে সার নিতে আসেননি, মিথ্যা অভিযোগ’

📰 বিস্তারিত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পূর্ব বেলকা গ্রামের বিএডিসি ডিলার মো. খায়রুল ইসলাম সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন। খায়রুল ইসলামের বাবা আলহাজ মো. মোজাব্বর হোসেন। তিনি বেলকা ডিগ্রি কলেজে এবং স্ত্রী বটতলা দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত। দুজনেই বিএডিসির সার ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন — একটি মেসার্স খায়রুল ইসলাম এবং অন্যটি মেসার্স রুফাইদা ট্রেডার্স নামে।

সরকারি ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা’ অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবেন না। তবে খায়রুল ইসলাম এই নিয়ম লঙ্ঘন করে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সার পেতে ভুট্টার বীজ কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

পঞ্চানন্দ পলাশতলা গ্রামের কৃষক মো. বাবুল মণ্ডল (৫০) বলেন, ‘আমি খায়রুল ইসলামের ঘরে সার নিতে গিয়েছিলাম। তাঁর ছেলে বলেছিলেন, ‘‘একটা করে বিআরডির সার নিতে হলে চার প্যাকেট ভুট্টার বীজ নিতে হবে’’। আমি বললাম, ‘‘ভাই, এখন টাকা নেই, জমিতে ধান আছে, কেন ভুট্টার বীজ নিয়ে কী করব?’’ কিন্তু তিনি রাজি হননি।’’

পলাশতলা গ্রামের আরেক কৃষক মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮) বলেন, ‘সার নিতে গেলে ডিলার বলেন, ‘‘সার নিতে ভুট্টা কিনতে হবে, না হলে বিক্রি করব না’’। পরে আমরা কৃষি অফিসে অভিযোগ দিই।’’ বেলকা বাজারের কৃষক মো. আবদুর রহিম মিয়া (৫৫) বলেন, ‘সার এলেও নাটক শুরু হয়। বলে, ‘‘সার আসেনি, পরে আসবে’’। কিন্তু ঘর বন্ধ দেখে বুঝতে পারি, তাঁরা সার বিক্রি করে দেন।’

অভিযোগ অস্বীকার করে খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী কৃষক আমার ঘরে সার নিতে আসেননি। তাঁরা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।’ স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ডিলার কি না, জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে ডিলারশিপ পরিচালনা করা যাবে না। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধানকে বলব।’

"আমি খায়রুল ইসলামের ঘরে সার নিতে গিয়েছিলাম। তাঁর ছেলে বলেছিলেন, ‘একটা করে বিআরডির সার নিতে হলে চার প্যাকেট ভুট্টার বীজ নিতে হবে’। আমি বললাম, ‘ভাই, এখন টাকা নেই, জমিতে ধান আছে, কেন ভুট্টার বীজ নিয়ে কী করব?’ কিন্তু তিনি রাজি হননি।"
"সার নিতে গেলে ডিলার বলেন, ‘সার নিতে ভুট্টা কিনতে হবে, না হলে বিক্রি করব না’। পরে আমরা কৃষি অফিসে অভিযোগ দিই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, বেলকা ইউনিয়ন, পূর্ব বেলকা গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খায়রুল ইসলাম, মো. বাবুল মণ্ডল (৫০), মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮), মো. আবদুর রহিম মিয়া (৫৫), মো. কাইয়ুম চৌধুরী, ঈফফাত জাহান তুলি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০, ৪৮, ৫৫, ১৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖