📌 নোয়াখালীর কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের বিবি রহিমা ১০টি হাঁসের ডিম দিয়ে শুরু করে বর্তমানে ১৬ একর সমন্বিত কৃষি খামারের মালিক। পশু-পাখি থেকে শাকসবজি পর্যন্ত খামারে রয়েছে সবকিছু
নোয়াখালীর কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের বিবি রহিমা একসময় ১০টি হাঁসের ডিম দিয়ে শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ১৬ একর সমন্বিত কৃষি খামারের মালিক। খামারে রয়েছে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, শাকসবজি এবং দেশীয় ফলের গাছ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিবি রহিমা ১০টি হাঁসের ডিম দিয়ে শুরু করে বর্তমানে ১৬ একর সমন্বিত খামারের মালিক
- 📌 খামারে রয়েছে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, শাকসবজি ও পেঁপে-বরইসহ ফলের গাছ
- 📌 খামারের কাজে সহযোগিতা করেন বিবি রহিমার স্বামী, সন্তান ও চার-পাঁচজন নিয়মিত শ্রমিক
- 📌 খামারটি জেলা শহর মাইজদী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত
📰 বিস্তারিত
বিবি রহিমা নোয়াখালী সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজের বাড়ির দেশি মুরগির নিচে প্রতিবেশীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা ১০টি হাঁসের ডিম রেখেছিলেন। সব ডিম থেকেই বাচ্চা ফুটে বেড়ে ওঠে। এরপর তিনি এই হাঁসের বাচ্চা পালাতে শুরু করেন। এভাবে শুরু হয়েছিল তাঁর খামারের যাত্রা।
বিবি রহিমা বলেন, ‘বিয়ের পর আমার স্বামী কৃষিকাজ করতেন, কিন্তু অভাবের সংসারে কিছু একটা করার প্রয়োজন ছিল। ঘরে একটি দেশি মুরগি ছিল। ভাবলাম, হাঁস থাকলে ভালো হতো। প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১০টি হাঁসের ডিম নিয়ে শুরু করলাম।’
বিবি রহিমার খামারে এখন রয়েছে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি এবং শাকসবজির খেত। পাশে পেঁপে, বরইসহ নানা দেশীয় ফলের গাছ লাগানো হয়েছে। খামারের কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন তাঁর স্বামী, সন্তান এবং চার-পাঁচজন নিয়মিত শ্রমিক।
খামারটি জেলা শহর মাইজদী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গ্রামীণ সড়ক দিয়ে কাদিরহানিফ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গনির দোকান পার হয়ে অল্প কিছুদূর সামনে গেলেই খালপাড় এলাকায় চোখে পড়ে বিবি রহিমার সমন্বিত কৃষি খামার।
বিবি রহিমা বলেন, ‘একটি ছাগী কিনেছিলাম। পরে সেটি বাচ্চা দেয়। ঘরে ছাগলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এর মধ্যে কয়েকটি ছাগল বিক্রি করে একটি গরুর বাছুর কিনেছিলাম। সেটিও বড় হয়ে বাচ্চা দেয়। এভাবেই আমার পশুর খামারে গরু-ছাগলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। হাঁস-মুরগিও একইভাবে বেড়েছে।’
"আমি একটা ছাগী কিনেছিলাম। পরে সেটি বাচ্চা দেয়। ঘরে ছাগলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এর মধ্যে কয়েকটি ছাগল বিক্রি করে একটি গরুর বাছুর কিনেছিলাম। সেটিও বড় হয়ে বাচ্চা দেয়। এভাবেই আমার পশুর খামারে গরু-ছাগলের সংখ্যা বাড়তে থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী সদর উপজেলা, কাদিরহানিফ ইউনিয়ন, দরবেশপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিবি রহিমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ একর (খামারের আয়তন), ১০টি (হাঁসের ডিম), ৫ কিলোমিটার (মাইজদী থেকে দূরত্ব), ৯ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!