📌 ফরিদপুরের সালথায় মাদ্রাসা ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণে দুই ইউনিয়নের যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১২ জন আহত হয়। দুটি দোকান ভাঙচুর ও খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায় মাদ্রাসা ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণে দুই ইউনিয়নের যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুটি দোকান ভাঙচুর ও একটি খড়ের গাদায় আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের সালথায় মাদ্রাসা ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণে সংঘর্ষে ১২ জন আহত, তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
- 📌 ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় রামকান্তুপুর ও আটঘর ইউনিয়নের সীমান্তে বিভাগদী ব্রিজে সংঘর্ষ শুরু হয়
- 📌 দুটি দোকান ভাঙচুর ও একটি খড়ের গাদায় আগুন লাগানো হয় সংঘর্ষকালে
- 📌 ওসি মো. বাবলুর রহমান খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সালথা উপজেলার রামকান্তুপুর ও আটঘর ইউনিয়নের সীমান্তে অবস্থিত বিভাগদী ব্রিজের ওপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের তিন মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন রামকান্তপুর এলাকার কয়েকজন যুবক। খবর পেয়ে উত্ত্যক্তকারী যুবকদের ওপর হামলা চালায় বিভাগদী গ্রামের যুবকরা। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় ইউনিয়নের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে প্রায় ঘন্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।
সংঘর্ষের সময় হামলাকারী দল দুটি দোকান ভাঙচুর করে এবং একটি খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
"খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলা, সালথা উপজেলা, রামকান্তুপুর ও আটঘর ইউনিয়ন সীমান্ত, বিভাগদী ব্রিজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মো. বাবলুর রহমান খান, আহত ১২ জন, উত্ত্যক্তকারী ও হামলাকারী যুবকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন আহত, ১৩ অক্টোবর (সংঘর্ষের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!