📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা হত্যাকাণ্ডে বাবা-ছেলের দুঃখের গল্প: ‘আমার মতো সন্তানের লাশ বহন করতে কেউ না পায়’

খুলনা হত্যাকাণ্ডে বাবা-ছেলের দুঃখের গল্প: ‘আমার মতো সন্তানের লাশ বহন করতে কেউ না পায়’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার বাবা কুতুব উদ্দিন জোহর বলেন, ‘আমার মতো সন্তানের লাশ বহন করতে কেউ না পায়’। আজ তার দাফন হয় চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া গ্রামে

খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমল হোসেনের বাবা কুতুব উদ্দিন জোহর আজ রোববার নিজ গ্রামে সন্তানের কবরস্থানে দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। হত্যাকাণ্ডের দুঃখে ভেঙ্গে পড়া তিনি বলেছেন, ‘বাবার মৃত্যুর পর সন্তানের লাশ বহন করা স্বাভাবিক, কিন্তু বাবা হয়ে সন্তানের লাশ বহন করা কত কঠিন, তা বোঝানো যায় না। কোনো বাবাকে যেন আমার মতো সন্তানের লাশ বহন করতে না হয়, সেটাই আল্লাহর কাছে আমার প্রার্থনা।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমল হোসেনকে গত শুক্রবার পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি খুলনায় মেসে থাকতেন এবং চুরির অভিযোগে আক্রমণ করা হয় বলে জানা যায়।
  • 📌 আজমলের বাবা কুতুব উদ্দিন জোহর বলেছেন, ‘মৃত্যুর আগে যেন ছেলের খুনিদের বিচার ও শাস্তি দেখতে পারি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে চাওয়া—প্রকৃত অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়।’
  • 📌 আজমল বরিশালের নেছারাবাদ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন এবং পরে চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।
  • 📌 আজমলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার তিতুদহ ইউনিয়নের বড়শলুয়া গ্রামে। দাফন অনুষ্ঠানে বৃষ্টি হচ্ছিল, কিন্তু তার স্বজনরা সকাল থেকে অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমল হোসেনের মৃত্যুর পর তার বাবা কুতুব উদ্দিন জোহর আজ রোববার নিজ গ্রামে সন্তানের কবরস্থানে দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বৃষ্টির মধ্যে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। আজমলের বাবা কবরস্থানে নামাজ পড়েন এবং তার ছেলের কবর জিয়ারত করেন। তারপর তিনি বলেন, ‘আমার একটাই চাওয়া—মৃত্যুর আগে যেন ছেলের খুনিদের বিচার ও শাস্তি দেখে যেতে পারি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে চাওয়া—প্রকৃত অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়।’

আজমল বরিশালের নেছারাবাদ মাদ্রাসায় শিক্ষাজীবন শুরু করেন। পরে তিনি খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন। এরপর তিনি চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ থেকে গত বছর এইচএসসি পাস করেন। আজমল বরিশালের বাড়ি থেকে খুলনা আসেন এবং নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন।

গত শুক্রবার রাতে আজমলকে খুলনায় তাঁর মেসে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি খুলনায় থাকতেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ রোববার তার দাফন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

"আমার একটাই চাওয়া—মৃত্যুর আগে যেন ছেলের খুনিদের বিচার ও শাস্তি দেখে যেতে পারি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে চাওয়া—প্রকৃত অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার তিতুদহ ইউনিয়নের বড়শলুয়া গ্রাম, খুলনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুতুব উদ্দিন জোহর (আজমলের বাবা), আজমল হোসেন (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ কিলোমিটার (দর্শনা থানা থেকে বড়শলুয়া গ্রামের দূরত্ব)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖