📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরের জমি বিরোধে 'কবর দিতে দেব না' হুমকির অভিযোগে জড়িত কৃষক নেতা সুলায়মান হোসাইনের পাল্টা প্রতিবাদ

ফরিদপুরের জমি বিরোধে 'কবর দিতে দেব না' হুমকির অভিযোগে জড়িত কৃষক নেতা সুলায়মান হোসাইনের পাল্টা প্রতিবাদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামে জমি বিরোধে 'কবর দিতে দেব না' হুমকির অভিযোগে জড়িত কৃষক দল নেতা সুলায়মান হোসাইন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে ১৯৯২ সালে দলিলের বিষয়টি সত্য। পাল্টা অভিযোগে প্রতিবেশী আলতাফ হোসেনের পরিবার সালিস বৈঠকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার দাবি করেছেন

ফরিদপুরের গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামে জমি বিরোধে জড়িত কৃষক দল নেতা সুলায়মান হোসাইন 'কবর দিতে দেব না' হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে ১৯৯২ সালের দলিলের বিষয়টি সত্য এবং প্রতিবেশী আলতাফ হোসেনের পরিবার সালিস বৈঠকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। আজ রোববার বেলা একটার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথাগুলো বলেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামের ৮২ বছর বয়সী আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে সুলায়মান হোসাইনকে জোরপূর্বক জমি লিখে নেওয়ার চেষ্টা ও হুমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
  • 📌 আলতাফ হোসেনের দাবি: "আমার বসতঘর থেকে সুলায়মানের বসতঘরের দূরত্ব মাত্র ১০ ফুট। রাতের বেলা আমার ঘরে ঢুকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিতে বলে এবং বলে, 'কাগজে সই করে দাও, নইলে মরলে কবরে মাটি দিতে দেব না'।"
  • 📌 সুলায়মান হোসাইন দাবি করেছেন, ১৯৯২ সালের ১১ জানুয়ারি তাঁর দাদা ইসমাইল হোসেন পৈতৃক জমি সাফ কবলামূলে দলিল করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আলতাফ হোসেনের দাবি, ১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বর সুলায়মানের দাদা ইসমাইল হোসেন তাঁকে জমি বিক্রি করেছিলেন।
  • 📌 ২০২৫ সালের ২৩ জুন পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে হামলা ও আহত হওয়ার পর ১২ জুলাই সালিস বৈঠকে উভয় পক্ষ ১৫ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেন।
  • 📌 আলতাফ হোসেনের ছেলে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউসুফ হোসেন নূর অভিযোগ করেছেন, সালিস বৈঠকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তিনি একটি গোপন ভিডিও প্রদর্শন করেছেন যেখানে দেখা যায়, সালিস বৈঠকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের নিখুরদি গ্রামের ৮২ বছর বয়সী আলতাফ হোসেন গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সুলায়মান হোসাইনকে জোরপূর্বক জমি লিখে নেওয়ার চেষ্টা ও হুমকির অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, তাঁর বসতঘর থেকে সুলায়মান হোসাইনের বসতঘরের দূরত্ব মাত্র ১০ ফুট। রাতের বেলা তাঁর ঘরে ঢুকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিতে বলে এবং বলে, 'কাগজে সই করে দাও, নইলে মরলে কবরে মাটি দিতে দেব না'।

সুলায়মান হোসাইন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমির জন্য কোনো সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, ১৯৯২ সালের ১১ জানুয়ারি তাঁর দাদা ইসমাইল হোসেন পৈতৃক জমি সাফ কবলামূলে দলিল করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আলতাফ হোসেনের দাবি, ১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বর সুলায়মানের দাদা ইসমাইল হোসেন তাঁকে জমি বিক্রি করেছিলেন। আলতাফ হোসেনের দাবি, ২০২৩ সালের ভূমি প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে এ দাবির সত্যতা পাওয়া যায় বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

সুলায়মান হোসাইন বলেন, তাঁর বাবা ইয়াকুব আলীকে পৈতৃক জমি কৌশলে দখলে নেওয়ার অভিযোগে আলতাফ হোসেনের আপন ভাই ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২৩ জুন পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে তাঁর বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ওই সময় সাংবাদিকদের সামনেই তাঁর ও পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ওই বছরের ১২ জুলাই সালিস মীমাংসা ডাকা হয়। সেখানে উভয় পক্ষ স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন এবং সালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে ১৫ শতক জমি দখল বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং উভয় পক্ষই স্বাক্ষর করেন।

সুলায়মান হোসাইন আরও দাবি করেছেন, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আলতাফ হোসেনের ছেলে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউসুফ হোসেন নূর ন্যায়বিচার পেতে পুলিশ প্রশাসন ও আদালত প্রাঙ্গণে প্রভাব খাটাচ্ছেন। এছাড়া ভূমি প্রতিরোধ মামলায় পিবিআইয়ের তদন্তকালে প্রভাব খাটিয়ে পক্ষে চার্জশিট নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

"কাগজে সই করে দাও, নইলে মরলে কবরে মাটি দিতে দেব না"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গেরদা ইউনিয়ন, ফরিদপুর সদর উপজেলা, নিখুরদি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলায়মান হোসাইন (কৃষক দল নেতা), আলতাফ হোসেন (৮২), ইউসুফ হোসেন নূর (পুলিশ এএসআই)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ বছর (আলতাফ হোসেনের বয়স), ১০ ফুট (দূরত্ব), ১১ জানুয়ারি ১৯৯২, ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯১, ২৩ জুন ২০২৫, ১২ জুলাই ২০২৫, ১৫ শতক জমি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖