📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে জিনের বাদশা ও তান্ত্রিক পরিচয়ে লাখ টাকা আত্মসাৎ: পিবিআই গ্রেপ্তার করে ২ প্রতারক

ফরিদপুরে জিনের বাদশা ও তান্ত্রিক পরিচয়ে লাখ টাকা আত্মসাৎ: পিবিআই গ্রেপ্তার করে ২ প্রতারক

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের পিবিআই মোবাইল ক্লোনিং ও ভয়ভীতি দেখিয়ে লাখ টাকা আত্মসাৎকারী একটি প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। ২০২৪ সালের মার্চে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারণা চালিয়েছিল তারা

ফরিদপুরের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যারা ‘জিনের বাদশা’ ও তান্ত্রিক পরিচয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করত। দীর্ঘ তদন্তের পর বুধবার (২১ অক্টোবর) এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুর পিবিআই গ্রেপ্তার করেছে ২ প্রতারক যারা ‘জিনের বাদশা’ ও তান্ত্রিক পরিচয়ে লাখ টাকা আত্মসাৎ করত
  • 📌 ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ মোবাইল ক্লোনিং করে ৩৩ টন চাল বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়
  • 📌 প্রতারণার শিকার ব্যক্তি রশিদুল ইসলাম (চাল ব্যবসায়ী) ৮ মাস পর আদালতের নির্দেশে পিবিআই তদন্ত শুরু করে
  • 📌 চক্রটি ভোলা ও অন্যান্য এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়
  • 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করত। তারা কখনো ‘জিনের বাদশা’ সেজে ভয়ভীতি দেখাত, আবার কখনো তান্ত্রিক-কবিরাজ পরিচয়ে গোপন রোগ নিরাময়ের প্রলোভন দেখাত। এছাড়াও তারা পরিচিত ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে কম দামে চাল বিক্রির প্রস্তাব দিত।

২০২৪ সালের ২৫ মার্চ রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর এলাকার চাল ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম এই প্রতারণার শিকার হন। তারা ‘বিজয় বাবু’র মোবাইল নম্বর ক্লোন করে ফোন দিয়ে ৩৩ টন চাল কম দামে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে জরুরি টাকার কথা বলে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে বিভিন্ন নম্বরে মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে নেয় প্রতারকরা। নির্ধারিত সময়ে চাল না পেয়ে রশিদুল ইসলাম প্রকৃত বিজয় বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।

প্রথমে স্থানীয় থানায় মামলা হলেও দীর্ঘ আট মাস পর আদালত মামলাটি পিবিআই ফরিদপুরকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলামের তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রায় এক বছর পর মামলার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়। পরে ভোলা ও অন্যান্য এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

"সন্দেহজনক ফোনকল বা প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি"

পুলিশ সূত্র জানায়, চক্রটি প্রায় পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত ছিল। তাদের মধ্যে কেউ ফোন করে মানুষকে ফাঁদে ফেলত, কেউ এমএফএস নম্বর সরবরাহ করত, আর অন্যরা টাকা সংগ্রহ করত। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আদালতে জবানবন্দিতে প্রতারণার বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর, রাজবাড়ী সদর উপজেলা (বিনোদপুর)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, রশিদুল ইসলাম (চাল ব্যবসায়ী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (প্রতারক), ১৬৪ (ধারা), ২১ (অক্টোবর), ২৫ (মার্চ), ৩৩ (টন), ৩.৭৫ (লাখ টাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖