📌 রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক বিরোধে পেট্রল আগুনে মারা যান বাবা মো. সিদ্দিক (৫৫) এবং তার ছেলে ইমন (২৫)। মেয়ে তানিয়া (১৮) ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় আশঙ্কাজনক চিকিৎসাধীন। ঘটনায় পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন, বর্তমানে তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে পারিবারিক কলহে পেট্রল আগুনে মারা যান বাবা মো. সিদ্দিক (৫৫) এবং তার ছেলে ইমন (২৫)। ঘটনার দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইমন, এরপর বাবা সিদ্দিকের মৃত্যু হয় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ২টার দিকে। ঘটনায় পরিবারের পাঁচজন সদস্যের শরীরে আগুন লাগে, তাদের মধ্যে মেয়ে তানিয়া (১৮) ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় আশঙ্কাজনকভাবে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেট্রল আগুনে মারা যান বাবা-ছেলে: পারিবারিক কলহে ইমন (২৫) নিজের কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন, ঘটনায় মারা যান বাবা সিদ্দিক (৫৫) এবং তার নিজে।
- 📌 ৩৫ শতাংশ দগ্ধ বাবা মারা যান: জাতীয় বার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সিদ্দিক, তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
- 📌 ৬০ শতাংশ দগ্ধ মেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায়: পরিবারের মেয়ে তানিয়া (১৮) ৬০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পরিবারের আরো দুই সদস্য।
- 📌 কলহের জেরে আগুন: সৌদি আরবে থাকা ইমনের বোন সুলতানার সাথে বাগবিতণ্ডা হয়, যা ইমনকে দেশে ফিরে আসতে প্রেরণ করে। ইমন আগুন ধরানোর আগে স্বজনদের মেরে ফেলার হুমকি দেন।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সূত্রাপুরের শ্যামবাজারের একটি বাসায় পারিবারিক কলহের জেরে ইমন নিজের কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনায় তার বাবা সিদ্দিকসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
জাতীয় বার্নের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, ঘটনার দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমনের মৃত্যু হয়। তারপর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ২টার দিকে সিদ্দিকের মৃত্যু হয়। সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পরিবারের তিনজন সদস্য: তানিয়া (৬০ শতাংশ দগ্ধ), রাজিব (৩৫ বছর, ১৫ শতাংশ দগ্ধ) এবং আরিফ (৩৪ বছর, ৮ শতাংশ দগ্ধ)।
আরিফের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, ইমন আগুন ধরানোর আগে স্বজনদের মেরে ফেলার হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘আমিও মরবো, তোদেরকেও মারবো’। ইমন সৌদি আরবে থাকা বোন সুলতানার সাথে বাগবিতণ্ডা হওয়ার পর দেশে ফিরে আসেন। বিষয়টি সুলতানা ইমনকে জানান, যা পারিবারিক কলহে পরিণত হয়।
"আমিও মরবো, তোদেরকেও মারবো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সূত্রাপুর, শ্যামবাজার, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমন (২৫), মো. সিদ্দিক (৫৫), তানিয়া (১৮), ডা. সুলতান মাহমুদ, সোনিয়া আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ শতাংশ (তানিয়ার দগ্ধ অংশ), ৩৫ শতাংশ (সিদ্দিকের দগ্ধ অংশ), ১৫ শতাংশ (রাজিবের দগ্ধ অংশ), ৮ শতাংশ (আরিফের দগ্ধ অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!