📌 ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে আসল মোড়কে নকল প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং ত্বকের সমস্যায় পড়ছেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্কতা জারি করেছেন
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাজারে আসল মোড়কে নকল প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শীত মৌসুমের আগে এসব পণ্যের বিক্রি বেড়েছে, যা ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। বাজারের ছোট দোকান থেকে শুরু করে বড় বিপণিবিতানেও এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদগঞ্জের ভান্ডারী মহল, মধ্যবাজার ও লাকী প্লাজাসহ বিভিন্ন বাজারে আসল মোড়কে নকল প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছে
- 📌 হেড অ্যান্ড শোল্ডারস, সানসিল্ক, প্যানটিন, গার্নিয়ার, ডাভ, নিভিয়া, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ও মেরিলের ক্রিমসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল পণ্য বিক্রি হচ্ছে
- 📌 ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং ত্বকের জ্বালাপোড়া, চুলকানি ও অ্যালার্জির সমস্যায় পড়ছেন
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেছেন, নকল প্রসাধনী ব্যবহারে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে
- 📌 সহকারী কমিশনার জানান, দ্রুত অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
শীত মৌসুমের আগে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারের ছোট দোকান থেকে শুরু করে বড় বিপণিবিতানেও এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং ত্বকের নানা সমস্যায় পড়ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ বাজারের ভান্ডারী মহল, মধ্যবাজারের তালুকদার প্লাজা ও লাকী প্লাজা, রূপসা বাজার, গৃদকালিন্দিয়া বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন হাট-বাজারের প্রসাধনীর দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী কোম্পানির প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পণ্য কিনে বিক্রি করেন। তবে অনেক সময় নকল পণ্য চেনার সুযোগ থাকে না। বিশেষ করে রং ফর্সাকারী ক্রিমের ক্ষেত্রে নকল পণ্যের অভিযোগ বেশি শোনা যায়। লাভ বেশি হওয়ায় কোনো কোনো দোকানি এসব ক্রিম বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ত্বক বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকেরা বলছেন, নকল ও ভেজাল প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বকে জ্বালাপোড়া, চুলকানি, অ্যালার্জি, প্রদাহসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পণ্যে ক্ষতিকর উপাদান থাকলে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই প্রসাধনী কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি বলে তারা পরামর্শ দিয়েছেন।
উপজেলার পূর্ব বড়ালী গ্রামের গৃহবধূ শাহীন বেগম জানান, তিনি একটি মোড়কে হিন্দি ভাষায় লেখা ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহার করার পর ত্বকের সমস্যায় পড়েন। পরে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয় তাঁকে। অন্যদিকে, কলেজশিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার বলেন, ফরিদগঞ্জ বাজারের একটি দোকান থেকে ফর্সাকারী ক্রিম ও লোশন কিনে তিনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করেছিলেন। এরপর তাঁদের সবার চুলকানি ও অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়।
"নকল প্রসাধনী ত্বক বা শরীরে ব্যবহার করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি। তাই প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেই"
— উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদগঞ্জ উপজেলা, চাঁদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল, শাহীন বেগম, তাহমিনা আক্তার, আনিছুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (স্পষ্ট সংখ্যা না থাকায় উল্লেখ করা হয়নি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!