📌 মাদারীপুর সদর উপজেলায় মসজিদ সংলগ্ন একটি ঘরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের হোগলপাতিয়া এলাকায় অবস্থিত একটি মসজিদের সংলগ্ন ঘরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনার সময় ঘরের টিনের বেড়া উড়ে গেলেও কেউ হতাহত হননি। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরণের শব্দে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিস্ফোরণ ঘটে মসজিদের ইমামের ঘরের বারান্দায়, যেখানে মুয়াজ্জিনসহ তিনজনের চাবি ছিল
- 📌 ঘটনার সময় ঘরের টিনের বেড়া উড়ে গেলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি
- 📌 সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে
- 📌 গত ১৭ দিনের মধ্যে মাদারীপুরে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটেছে
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, বিস্ফোরণগুলো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে
📰 বিস্তারিত
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের হোগলপাতিয়া এলাকায় অবস্থিত আল-আকসা আকন বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আকাশ হাওলাদারের থাকার ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে। মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. আলাউদ্দিন ওলিল আকনসহ তিনজনের কাছে ওই ঘরের চাবি ছিল। বিকেলে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে ঘরের টিনের বেড়া উড়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরণের পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনার পর চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, ‘মসজিদের ইমামের ঘরের বারান্দায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমার আলামত সংগ্রহ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাদারীপুরে ঘরে ঘরে ককটেল বোমা তৈরির প্রচলন রয়েছে। এখানে তারা নিজেদের প্রতিরক্ষা, প্রতিপক্ষকে আক্রমণ, সামাজিক দ্বন্দ্ব, আধিপত্য বিস্তার ও নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে বোমাজাতীয় বিস্ফোরক ব্যবহার করে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণগুলো বিরোধ বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হতে পারে।’
‘মাদারীপুরে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের প্রতিটি ঘটনা বিরোধ বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হতে পারে, যা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।’ — ফারিহা রফিক ভাবনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হোগলপাতিয়া এলাকা, ঝাউদি ইউনিয়ন, সদর উপজেলা, মাদারীপুর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ফারিহা রফিক ভাবনা (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার), আলাউদ্দিন ওলিল আকন (মুয়াজ্জিন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন গ্রেপ্তার, বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে ৩টি, সময়কাল ১৭ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!