📌 চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, রাস্তা দখলমুক্ত থাকলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত পৌঁছাতে পারত। তিনি পুকুর সংস্কার ও অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখার গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন
চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম দাবি করেছেন, যদি সড়কগুলো দখলমুক্ত থাকত, তাহলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আরও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারত। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এই কথা বলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে** ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, **রাস্তা দখলমুক্ত থাকলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত পৌঁছাতে পারত**।
- 📌 **ব্যাগ তৈরির কারখানায় আগুন লাগার** সূত্রপাত হওয়ায় চারপাশে পোশাকের দোকান ও কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 **ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা** তদন্ত করছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী **কারখানায় আগুন লাগার** কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- 📌 **পুরান ঢাকায় কেমিক্যালের লাইসেন্স বন্ধ** রাখার ফলে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড কমেছে, উল্লেখ করেছেন প্রশাসক।
- 📌 **পুকুর সংস্কার ও ড্রেনেজ সংস্কার** কাজে জোর দিয়েছেন তিনি, বলেছেন, **অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখা বাধ্যতামূলক** হওয়া উচিত।
- 📌 **ক্ষতিগ্রস্তদের** জন্য সিটি করপোরেশন **প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে**, উল্লেখ করেছেন আবদুস সালাম।
📰 বিস্তারিত
চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, রাস্তা ও ফুটপাত জরুরি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা জরুরি। তিনি স্থানীয়দের সচেতন হতে বলেছেন, যত্রতত্র অবৈধ দোকান না বসানোর বিষয়ে। গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করেছেন তিনি।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ব্যাগ তৈরির একটি কারখানায় আগুন লাগার সূত্রপাত হয়েছে। এর চারপাশে তৈরি পোশাকের একাধিক দোকান ও কারখানা ছিল। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
চকবাজার এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেছেন, পুরান ঢাকায় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কেমিক্যালের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে কেমিক্যাল-সংশ্লিষ্ট বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আগের তুলনায় অনেক কমেছে।
অগ্নিনির্বাপণের সময় পানির স্বল্পতার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, পুরান ঢাকার সংকটাপন্ন অবকাঠামো এক দিনে তৈরি হয়নি। এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা। বর্তমান প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পুরান ঢাকার পুকুরগুলো সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক সংস্কারকাজও হাতে নেওয়া হয়েছে।
মার্কেট ও বসতবাড়িতে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এটি কেবল আইন করে বাধ্যতামূলক করার বিষয় নয়, নিজেদের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষার স্বার্থেই সবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখা জরুরি। আজকের এই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আশপাশের মার্কেট ও ভবনগুলোতে যথাযথ সুরক্ষাব্যবস্থা রাখা হলে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা অনেক কম হতো।’
অবশেষে তিনি বলেছেন, আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের বিষয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
"চকবাজারের সড়কগুলো দখলমুক্ত থাকলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আরও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারত। রাস্তা ও ফুটপাত জরুরি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চকবাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুস সালাম (ডিএসসিসি প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর, সাড়ে ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!