📌 ঢাকার বাসে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা আব্দুল হামিদ (৪৬) ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পুলিশ নেশাজাতীয় বিষ খাওয়ানো সন্দেহ করে তদন্ত করছে। পরিবার মামলা করতে অস্বীকার করে লাশ রাজশাহী নিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়
ঢাকার বাসে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা আব্দুল হামিদ (৪৬) ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ১২:৩০টায় মৃত্যুবরণ করেছেন। পুলিশের ধারণা, বাসে তাঁকে নেশাজাতীয় বিষ খাওয়ানো হতে পারে। রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানার ঝলমলিয়া গ্রামের আব্দুল হামিদ জেবি ক্যাবল কোম্পানির সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। দিনাজপুরের ১০ মাইল এলাকার কার্যালয় থেকে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাসস্ট্যান্ডে অচেতন অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আব্দুল হামিদ (৪৬) ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন, পুলিশ নেশাজাতীয় বিষ সন্দেহ করে তদন্ত করছে
- 📌 সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন জেবি ক্যাবল কোম্পানির, দিনাজপুরের ১০ মাইল এলাকার কার্যালয় থেকে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছিলেন
- 📌 সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ডে অচেতন অবস্থায় পড়েই পাওয়া গিয়েছিলেন
- 📌 পরিবার মামলা করতে অস্বীকার করে লাশ রাজশাহী নিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়, দু’ছেলে বাবাহারা হয়ে পড়েছে
- 📌 রাজধানীর কুড়িল চৌরাস্তা এলাকার ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী সামিহা আফরিন নিখোঁজ হয়েছে, ভাটারা থানায় জিডি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আব্দুল হামিদের মৃত্যু ঘটনার পেছনে নেশাজাতীয় বিষ সন্দেহের কারণে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজেদুর রহমান জানান, আব্দুল হামিদ দিনাজপুরের ১০ মাইল এলাকার জেবি ক্যাবল কোম্পানির সেলসম্যান ছিলেন। তিনি মঙ্গলবার দিনের কোনো এক সময় ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাসস্ট্যান্ডে অচেতন অবস্থায় তাঁকে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আব্দুল হামিদের শ্যালক মোহাম্মদ রতন বলেন, ‘গতকাল দুপুর ১২টার পর থেকে দুলাভাইকে ফোনে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করি। মেডিকেলসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়ার পর আজ সকালে ফেসবুকে তাঁর ছবি দেখতে পাই। পরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে নিশ্চিত হই, তিনি মারা গেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে তাঁর লাশ রাজশাহীতে নিয়ে যাব।’
আব্দুল হামিদের ভাই তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মামলা করব না। মামলা করে তো ভাইকে আর ফেরত পাব না।’ তাঁর দুই ছেলে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বড় ছেলে দশম শ্রেণিতে পড়ে, আর ছোট ছেলের বয়স সাত বছর। ‘ওরা এখন বাবাহারা হলো’—এ কথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তসলিম উদ্দিন।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুর রহমান জানান, ‘আব্দুল হামিদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাঁর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও চলছে।’
"আমরা মামলা করব না। মামলা করে তো ভাইকে আর ফেরত পাব না। ওরা এখন বাবাহারা হলো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল, ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ড, দিনাজপুরের ১০ মাইল এলাকা, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল হামিদ (৪৬), মোহাম্মদ রতন (শ্যালক), তসলিম উদ্দিন (ভাই), উপপরিদর্শক মাজেদুর রহমান (পুলিশ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬ বছর (আব্দুল হামিদের বয়স), ১০ মাইল (দিনাজপুরের কার্যালয়), ৬ টা (অচেতন অবস্থায় পাওয়া সময়), ১২ টা (ফোনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন), ১৪ বছর (সামিহা আফরিনের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!