📌 বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টের দাবি উঠেছে। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই টেস্ট করতে পারেনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশু বিক্রির অভিযোগে দাবি উঠেছে, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেনা
বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টের দাবি উঠেছে, কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই টেস্ট করতে পারেনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি শিশু বিক্রির অভিযোগে দাবি উঠেছে, যেখানে শিশুটির বর্তমান পরিবার দাবি অস্বীকার করছে। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেনা, যা পরিবারকে আরো হতাশায় ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টের দাবি উঠেছে, কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে এই টেস্ট করা যায় না।
- 📌 শিশু বিক্রির অভিযোগে একটি দম্পতি শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে দাবি করেছে, কিন্তু শিশুটির বর্তমান পরিবার দাবি অস্বীকার করেছে।
- 📌 কামরাঙ্গীর চরের নিখোঁজ শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, ৯১৫ দিন আগে শিশুটি হারিয়ে গেছে, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেনা।
- 📌 ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছিল 'আমার সন্তান কোথায়' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন।
- 📌 শিশুটির মা 'মিঠাই' নামের ফেসবুক পেইজে দাবি করেছেন, প্রায় দেড় বছর ধরে শিশু বিক্রির অভিযোগকারী পরিবার তাদের হয়রানি করছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি শিশুকে নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। 'মিঠাই' নামের একটি ফেসবুক পেইজে শিশুটিকে নিয়মিত পোস্ট করা হয়। এই শিশুটির মা শিশুটির বিভিন্ন বয়সের কর্মকাণ্ড এবং ব্যবসার প্রমোশনাল ভিডিও পোস্ট করেন। সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে দাবি করেছে। এই দাবি অস্বীকার করেছে শিশুটির বর্তমান পরিবার। শিশু কার সেটি জানতে ডিএনএ টেস্টের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে।
বাংলাদেশে ডিএনএ টেস্টের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা জানান, ব্যক্তিগতভাবে কেউ এই টেস্ট করতে পারবেন না। কেবলমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আদালতের নির্দেশে এই টেস্ট করা হয়। শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ডিএনএ টেস্টের দাবি উঠেছে, কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই টেস্ট করতে পারেনা।
কামরাঙ্গীর চরের নিখোঁজ শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, শিশুটি ২০২৪ সালে হারিয়ে গেছে। তারা দাবি করেছেন, বাসার সামনে খেলতে গিয়ে শিশুটি হারিয়ে যায়। পরে তাকে 'মিঠাই' নামে টিকটকে দেখা গেলে বিষয়টি জানানোর পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় করা মামলা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা এবং পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো অব বাংলাদেশ (পিবিআই)তে গেলেও সন্তানের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
"আমরা কিছুই পাইনি। আমি অনেক চেষ্টা করছি। আমার এই থানায় ওই রকম নামে কোন নিখোঁজ শিশু বাচ্চা বা জিডি নাই। খবর নিছি আমি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কামরাঙ্গীর চর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশুটির মা ('মিঠাই' পেইজ), দাবিকারী দম্পতি, কামরাঙ্গীর চরের শিশুটির পরিবার, ওসি মো. আজহারুল ইসলাম (কামরাঙ্গীর চর থানা), ওসি সাইফুল ইসলাম (খিলগাঁও থানা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মিনিট (পড়ার সময়), ৯১৫ দিন (শিশু নিখোঁজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!